fbpx
কলকাতাহেডলাইন

এখন থেকে নন-কোভিড হাসপাতালের চিকিৎসকরা রোগী দেখবেন কোভিড হাসপাতালেও, সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চিকিৎসাধীন অবস্থায় কো-মরবিড সমস্যার জন্যও মৃত্যু হচ্ছিল অনেক করোনা রোগীর। কিন্তু চিকিৎসকদের মাধ্যমে যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য কোভিড ও নন-কোভিড হাসপাতালের চিকিৎসকদের সম্পূর্ণভাবেই আলাদা রাখা হয়েছিল। কিন্তু তার ফলে অনেক সময়েই উপযুক্ত চিকিৎসা মিলছিল না। কিন্তু সুস্থতার হার বাড়ায় আরও একটু সাহসী পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। এখন থেকে নন-কোভিড হাসপাতালের চিকিৎসকরা রোগী দেখবেন কোভিড হাসপাতালেও, রাজ্য সরকারের এমন সিদ্ধান্ত নির্দেশিকা আকারে জানিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্যভবন।

স্বাস্থ্য দফতরের ওই নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রত্যেক কোভিড হাসপাতালের সংলগ্ন আরও দু’তিনটি নন-কোভিড হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি করবেন। তারপর করোনা রোগীর অন্যান্য শারীরিক সমস্যা ও তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে পরামর্শ দেবেন। এমনকি প্রয়োজন হলে হাসপাতালে গিয়ে ওই করোনা রোগীকে পর্যবেক্ষণ করে আসবেন। অনেক সময় দেখা যায় করোনা রোগীর হার্টের সমস্যা বা কিডনির সমস্যা থাকে কর্নার জেরে সেই সমস্ত ক্ষেত্রে রোগীর শারীরিক সঙ্কট এবং জীবনহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সেই বিশেষ ক্ষেত্রগুলিতেই নজরদারির দায়িত্ব থাকবে এই সমস্ত চিকিৎসকদের।

[আরও পড়ুন- মহালয়ায় ভোরে বাঙালীর ঘুম ভাঙবে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠে]

জানা গিয়েছে, কেপিসি মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এসএসকেএম হাসপাতালের নেফ্রোলজিস্ট, কার্ডিওলজিস্ট, নিউরোলজিস্টের মতো সুপার স্পেশ্যালিটি টিম এমআর বাঙুরে গিয়ে করোনা রোগীদের দেখে আসবেন৷ একইরকমভাবে প্রত্যেক জেলার কোভিড হাসপাতালকে জেলা, মহকুমা, স্টেট জেনারেল, সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল কিংবা মেডিক্যাল কলেজের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে৷

মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষদের এবং হাসপাতালের সুপারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, প্রত্যেক কোভিড হাসপাতালের পাশে থাকা হাসপাতাসগুলির জেনারেল মেডিসিন, চেস্ট মেডিসিন ও অ্যানাস্থেশিওলজি বিভাগের আরএমও, সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি করতে হবে। এই সমস্ত চিকিৎসকরা যদি করোনা রোগীদের স্বাস্থ্যের অন্যান্য বিষয়টিও নজরে রেখে চিকিৎসা করেন, তাহলে রোগীদের মৃত্যুহার অনেকটাই কমে যাবে বলে আশা রাজ্য প্রশাসনের।

Related Articles

Back to top button
Close