fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

‘পুজো আসছে বলে করোনাকে অবহেলা করা যাবে না’, প্রশাসনিক সভা থেকে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। তারপরি বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শারোদোৎসব। তাই করোনা কালেও পুজো নিয়ে মেতে উঠেছে রাজ্যবাসী।এই কঠিন পরিস্থিতিতে সুস্থভাবে পুজো উদযাপন করা। সেই কারণেই উত্তরকন্যায় জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানালেন, “পুজো আসছে বলে করোনাকে অবহেলা করা যাবে না।”প্রসঙ্গ প্রায় ৮ মাস পরে সোমবার তিনি উত্তরবঙ্গে গিয়েছেন।করোনাকালে নির্বিঘ্নে শারোদোত্‍সবের আয়োজন এবার প্রশাসনের কাছেও মস্ত চ্যালেঞ্জ। সংক্রমণ এড়াতে সবরকম ব্যবস্থা নিলেও রাজ্যবাসীকেও সতর্ক থাকতে হবে বলে এদিন আবারও বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি, এই দুই জেলার আধিকারিকদের নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। সেখানেই করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সকলকে সতর্ক করেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা জানান, “আলিপুরদুয়ারের পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। পজিটিভিটি রেট সামান্য বেড়েছে। তবে সংক্রমণকে আয়ত্তে রাখা গিয়েছে।” মৃত্যুর হার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ডেথ রেট অনেকটাই কম। প্রোটোকল মানলে ডেথ রেট আরও কমানো যাবে।” পাশাপাশি, প্লাজমা থেরাপি করার পরামর্শও দেন তিনি।

সংক্রমণ এড়াতে সবরকম ব্যবস্থা নিলেও রাজ্যবাসীকেও সতর্ক থাকতে হবে বলে এদিন আবারও বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকেই তিনি বলেন, ”পুজো আসছে বলেই করোনাকে অবহেলা করবেন না। পরিস্থিতি কোন দিকে যায় তার ওপর নজর রাখতে হবে।”মুখ্যমন্ত্রী এদিন দুই জেলার আধিকারিকদের বলেন, পরিস্থিতির ওপর সর্বদা নজর রাখতে। পুজোর সময় করোনাকে কোনওভাবেই অবহেলা করা যাবে না, জানিয়েছেন তিনি। তবে তিনি এও জানান, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার রয়েছে গ্রিন জোনে।

আরও পড়ুন: ‘কৃষকদের মেরুদণ্ড ভাঙার ব্যবস্থা করা হয়েছে কৃষি বিলে’, কেন্দ্রকে আক্রমণ রাহুল গান্ধীর

আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে যে সমস্ত এলাকা এখনও গ্রিন জোন রয়েছে। সেখানে যাতে কোনওভাবে সংক্রমণ না প্রবেশ করতে পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। এদিনের বৈঠক থেকে স্বাস্থ্যকর্মী ও আশাকর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “সংক্রমণ বাড়লেও ওদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণেই পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।” উল্লেখ্য রাজ্যজুড়ে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা হু হু করে বেড়ে চলেছে। প্রতিদিন বাংলায় ৩ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সুস্থতার হার। যা খানিকটা ভরসা দিচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close