fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

উত্তর ব্যারাকপুরে দুই প্রতিবেশীর করোনা আক্রান্তের খবরে চাঞ্চল্য

অলোক কুমার ঘোষ, ব্যারাকপুর : উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত দুই প্রতিবেশী বাড়ির দুই সদস্য। মাত্র দুদিন আগেই দিল্লি ফেরত এক পরিযায়ী শ্রমিক এই একই ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তার চিকিৎসা চলছে ব্যারাকপুরের বেস হাসপাতালে। এবার ওই একই এলাকায় নতুন করে এক ব্যাঙ্ক কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে একই ওয়ার্ডে দুটি ঘটনা ঘটলেও তা কখনই গোষ্ঠী সংক্রমন নয় বলে দাবি উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভা কর্তীপক্ষের।

উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার পৌর প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য অভিজিৎ মজুমদার বলেন, দুটি সম্পূর্ণ পৃথক ঘটনা। একটির সঙ্গে অপরটির কোন সম্পর্ক নেই। তবে কাকতালীয় ভাবে দুজন করোনা আক্রান্ত রোগী একই পাড়ার বাসিন্দা।

উত্তর পুরসভার পক্ষ থেকে উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তশ্রী পল্লী এলাকাটি সিল করে দেওয়া হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনায় ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।

উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তশ্রী পল্লীতে একই পাড়ায় ফের দ্বিতীয় একজনের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু । এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন ৫৬ বছর বয়সী এক ব্যাঙ্ক কর্মী । তাকে ইতিমধ্যেই কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই ব্যাঙ্ক কর্মী কলকাতায় একটি ব্যাঙ্কে চাকরি করতেন। সম্প্রতি জ্বরে ভুগতে শুরু করেন তিনি ।

এরপরই তার পরিবারের সদস্যরা তাকে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন । সেখানে তার লালা রসের নমুনা পরীক্ষা করা হয় । বুধবার ওই ব্যাঙ্ক কর্মীর করোনা পরীক্ষার পজিটিভ রিপোর্ট আসে। তাকে কলকাতার ওই বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসা চলছে ওই ব্যাঙ্ক কর্মীর । প্রসঙ্গত, সম্প্রতি উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার এই ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে দিল্লি ফেরত এক পরিযায়ী শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এবারও ঘটনা উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার সেই একই ওয়ার্ডের । ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে । তবে উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার পৌর প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য অভিজিৎ মজুমদার এই ঘটনাকে গোষ্ঠী সংক্রমন বলতে নারাজ । তিনি বলেন, “কাকতালীয় ভাবে দুটি ঘটনা একই ওয়ার্ডের হলেও এর সঙ্গে গোষ্ঠী সংক্রমনের কোন বিষয় নেই । একজন দিল্লি ফেরত, অন্যজন কলকাতায় চাকুরীতে যেতেন । দুজনের দুই ভাবে কোভিড সংক্রমন হয়ে থাকতে পারে । এলাকার বাসিন্দাদের সচেতন থাকতে হবে । আমরা পুরসভা গত ভাবে মানুষকে সচেতন করছি । গোটা এলাকা জীবাণু মুক্ত করা হয়েছে ।

সাধারন মানুষের উচিত সরকারি নির্দেশ মেনে চলা। আমরা এলাকার বাসিন্দাদের বলেছি ঘরে থাকতে। ” এদিকে একই পাড়ায় দুই প্রতিবেশীর বাড়িতে দুই সদস্য করোনা আক্রান্ত হওয়ায় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আশঙ্কা বেড়েছে । শান্তশ্রী পল্লীতে সকলেই বাড়িতে গৃহবন্দী রয়েছেন ।

Related Articles

Back to top button
Close