fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মেধা তালিকা প্রকাশিত না হলেও নম্বরের ভিত্তিতে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, ষষ্ঠ  ও নবম স্থানে উত্তর দিনাজপুরের ছাত্র-ছাত্রীরা

শান্তনু চট্টোপাধ্যায়, রায়গঞ্জ: মেধাতালিকা প্রকাশিত না হলেও নম্বরের ভিত্তিতে সম্ভাব্য দ্বিতীয় স্থান অধিকার করল রায়গঞ্জ করোনেশন হাইস্কুলের ছাত্র জয় মন্ডল। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৮। আর্থিক প্রতিকূলতার মধ্যে বড় হয়েও এই সাফল্যে খুশী জয় ও তার পরিবার। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চায় সে।

রায়গঞ্জের হাইরোড কালীতলা এলাকার বাসিন্দা জয় মন্ডল মাধ্যমিক পরীক্ষাতেও নবম স্থান অধিকার করেছিল রাজ্যে। আর্থিক অস্বচ্ছলতা ভালো ফলাফলে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরী করতে পারেনি এই কৃতি ছাত্রের জীবনে। অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে ভর করে জীবনযুদ্ধে জয়ী হয়েছে জয়। ফলাফল প্রকাশের পর মুখে একচিলতে হাসি। জয় জানিয়েছে, ” ভালো লাগছে এই নম্বর পেয়ে। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চাই। বাড়িতে প্রায় আটঘন্টা পড়াশোনা করেছি। এছাড়াও সিনেমা দেখতে ও ক্রিকেট খেলতে ভালো লাগে।” জয়ের বাবা জ্যোতির্ময় মন্ডল বলেন,” মাধ্যমিকে নবম হয়েছিল। তখন থেকেই আরও ভালো ফল করার জেদ ছিল। আমি সামান্য মানুষ। অত পড়াশোনা জানি না।

[আরও পড়ুন- উচ্চমাধ্যমিকে ভাল ফল রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের, ৫০০ র মধ্যে ৪৯৬ নম্বর পেল স্কুলের ৬ পড়ুয়া]

প্রধান শিক্ষক শুভেন্দু মুখার্জী বলেন, “সরকারিভাবে এবার কোনও মেধাতালিকা প্রকাশ হয় নি। সর্বোচ্চ নম্বর ৪৯৯। সেই নিরিয়ে জয় মন্ডল ৪৯৮ পেয়েছে। ভালো লাগছে। আমরা সকলেই খুশী।” এদিন জয় মন্ডলের বাড়িতে গিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান রায়গঞ্জের বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী গোলাম রব্বানি। এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মেধা তালিকা প্রকাশ না করা হলেও সম্ভাব্য তৃতীয় হয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ  তরঙ্গপুর নন্দকুমার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী মীরা দেবশর্মা। এবারের পরীক্ষায় তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৭। কলা বিভাগের ছাত্রীর এই অভাবনীয় সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে স্কুলের অভিভাবক অভিভাবিকা ও শিক্ষক শিক্ষিকাদের মধ্যে।

[আরও পড়ুন- কোলাঘাট বিট হাউসের পুলিশকর্মীদের করোনা নিয়ে সচেতনতা ও মাস্ক বিলি]

স্কুলের শিক্ষক সঞ্জয় রায় বলেন, আমাদের স্কুল নয় গোটা জেলায় মুখ উজ্জ্বল করেছে মীরা। অন্যদিকে, ৪৯৬ নম্বর পেয়ে রায়গঞ্জের মুখ উজ্জ্বল করেছে সুদর্শনপুর দ্বারিকা প্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র শুভাশীষ দাশ। তার এই সাফল্যে খুশি হয়েছে  স্কুলের সকলেই। এদিন তার এই সাফল্যের কথা শুনে  তার বাড়িতে যান রায়গঞ্জের বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত।  শুভাশিস বলে যে, সে ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। অন্যদিকে, ইসলামপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের   কৃতি ছাত্রী রুপালি বিশ্বাস ৪৯৪  নম্বর পেয়ে ইসলামপুর তথা উত্তর দিনাজপুর জেলার মুখ উজ্জ্বল করেছে। সম্ভাব্য ষষ্ঠ স্থান অধিকার করা রুপালী আগামীতে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করতে চায়। অন্যদিকে রায়গঞ্জ করোনেশন হাইস্কুলের কলা বিভাগের ছাত্রী বিপাশা মুখার্জি ৪৯১ পেয়ে সম্ভাব্য নবম স্থান অধিকার করেছে।

Related Articles

Back to top button
Close