fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

রাজ্যজুড়ে নয়, লকডাউন চলবে শুধু কনটেনমেন্ট, সাফ জানাল নবান্ন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  রাজ্যজুড়ে নতুন করে লকডাউনের কোনও পরিকল্পনা নেই। তবে করোনা মোকাবিলায় কনটেনমেন্ট জোনে লকডাউন চলবে। জানালেন বাংলার মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা।কনটেনমেন্ট এলাকায় কড়া লকডাউন যে চলবে তাও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, লকডাউন নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন মাধ্যমে একাধিক গুজব ছড়াচ্ছিল। এদিন মুখ্যসচিবের মন্তব্যের পর তাতে নিষ্পত্তি হল।  এদিন নবান্নে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যসচিব স্পষ্টই জানান, লকডাউন নিয়ে কোনও গুজবে কান দেবেন না। কারণ, আপাতত রাজ্যের যা পরিস্থিতি তাতে রাজ্যজুড়ে লকডাউনের কোনও চিন্তাভাবনাই রাজ্যের নেই। তবে কনটেনমেন্ট এলাকায় কড়া নজরদারি ও লকডাউন চলবে। সেখানে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য, ওষুধ, দুধ ছাড়া অন্য কিছুই খোলা থাকবে না। ফলে এখানকার মানুষরা বাইরে বেরোতে পারবেন না।

উল্লেখ্য, বর্তমানে রাজ্যের সব জেলার কনটেনমেন্ট জোনে কড়া লকডাউন চলছে রবিবার পর্যন্ত। এই সময়সীমা বাড়বে কি না, তা নিয়ে এখনও সরকারিভাবে এখনও কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু মুখ্যসচিবের এদিনের মন্তব্যের পর মনে হচ্ছে, এই লকডাউন আরও কিছুদিন জারি থাকবে। তবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না। পাশাপাশি, এদিন মুখ্যসচিব জানান, যে বা যাঁরা লকডাউনের নিয়ম মানছেন না তাঁরাই সংক্রমিত হচ্ছেন। তথ্যই সেই কথা বলছে। তাই সকলেরই উচিত লকডাউন কঠোরভাবে মেনে চলা। তা না হলে সমস্যা বাড়বে।

এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে রাজীব সিনহা বলেন, ‘যত নমুনা পরীক্ষা হবে, তত আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে। কিন্তু তাতে চিন্তার কিছুই নেই। কারণ এটা সারা বিশ্বের প্রবণতা।’ তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, শুক্রবার পর্যন্ত ১৪,৭০৯ সক্রিয় রোগী রয়েছেন রাজ্যে, এর মধ্যে ৭২ শতাংশই উপসর্গহীন করোনা রোগী। মাত্র ৬৬০ জন সিরিয়াস রোগী। তাঁদের জন্য আমরা পদক্ষেপ করছি। রাজ্য করোনা প্রতিরোধে যথেষ্টই সক্ষম। সবরকম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাই নেওয়া হয়েছে। কারণ, কোভিডের চেয়ে বেশি স্পিড আমাদের। কোনও সমস্যা নেই রাজ্যে।

আরও পড়ুন: কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্বের ফল ভুগছে রাজস্থানের মানুষ, মন্তব্য বসুন্ধরা রাজের

একইসঙ্গে তিনি জানান, কলকাতা ও সংলগ্ন ৪-৫ টি জেলাকে নিয়ে এবার থেকে একটা ইউনিট করা হচ্ছে। প্রত্যেক জেলার জন্য আলাদা আলাদা অফিসারকে দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। এভাবে আলাদা আলাদা করে দেখানোর প্রয়োজন নেই। কারণ সকলেই রাজ্যের বাসিন্দা। এখন প্রতি ১০ লক্ষে ১৪৪টি নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে রাজ্যে। বর্তমানে দৈনিক ১৩ হাজার পরীক্ষা করা হচ্ছে তা বাড়িয়ে আগামী ২-৩ সপ্তাহে ২৫ হাজার করা হবে বলেই জানান রাজীব সিনহা। সামগ্রিকভাবে রাজ্যের মানুষের কোনও চিন্তা নেই। নিয়ম মেনে চললে কোনও সমস্যাই নেই। যেখানেই নিয়ম মানা হয়নি, সেখানেই সংক্রমণ বেড়েছে।

এছাড়াও, সেফ হোমের ব্যবস্থা উন্নতির লক্ষ্যে সেখানে ২৪ ঘণ্টার চিকিৎসক, অ্যাম্বুলেন্স ও একটি কোভিড হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, সেফ হোমে কারও সমস্যা হলেই তৎক্ষণাত তাঁকে নিয়ে যাওয়া হবে নিকটবর্তী কোভিড হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসার ব্যবস্থা যেমন করা হবে, তেমনি সরকার এখানকার আবাসিকদের দিকে কড়া নজর রাখছে।

 

Related Articles

Back to top button
Close