fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

শুধু করোনা নয়, আমফানের ত্রাণ বিলিতে নামল বঙ্গীয় চলচিত্র সংস্কৃতি সংঘ

সুজয় অধিকারী: আমফান ঝড়ে পুরো বাংলা প্রায় ধ্বংসের মুখে। কারোর জল নেই তো কারোর বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই। আবার কারো বাড়িতে বিদ্যুৎ, জল, খাবার কিছুই নেই। অন্ধকার নেমে এসেছে সাধারণ গরিবের ঘরে ঘরে। এই সময় বঙ্গীয় চলচিত্র সংস্কৃতি সংঘের সম্পাদক মিলন ভৌমিকের নেতৃত্বে সংঘের সদস্যরা টালিগঞ্জের আসে পাশের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মানুষের পশে হয়ে দাঁড়িয়েছে ত্রিপল, চিরে গুড়ের মতো শুকনো খাবার নিয়ে।

 

মিলন বাবুর নির্দেশ পেয়ে ৯৪নং ওয়ার্ডে শর্মিষ্ঠা রায়, জয়শ্রী মুখার্জী, মিতা মুখার্জীর, মধুমিতার মতো সদস্যরা বেরিয়ে গল্ফগ্রীণ এর ঝড়োবস্তি থেকে ৯৫নং ওয়ার্ডের বিজেপি নেতা দিলীপ চন্দরা অসহায় মানুষদের মুখে ফোটাতে তাদের পাশে এসে দাঁড়ালেন।
এই লকডাউনে খাদ্যব‍্যবস্থা সচ্ছল রাখতে বাংলার মুখ‍্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিনামূল্যে রেশনের ব‍্যবস্থা করেছিলেন। অভিযোগ উঠেছে সেটা নাকি চুরি করে নিয়ে গেছে তৃনমুলের লোক। সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা চিন্তা করেই মিলন ভৌমিক টালিগঞ্জের বিভিন্ন ওয়ার্ডে চাল, ডাল, আটা, সবজি দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের হাতে তুলে দিচ্ছেন।

 

 

লকডাউনের পর থেকেই এই কর্মসূচি চলছে। এই কর্মসূচি প্রতিদিন চালু রাখার অঙ্গীকার করেছেন প্রত্যেকেই। মিলন ভৌমিকের ভাষায়; যতদিন না পর্যন্ত সাধারণ মানুষের খাদ্যের সচ্ছলতা না ফিরে আসছে, ততদিন এই ত্রাণ পরিষেবা চালু থাকবে। মিলন বাবু আরও বলেন, আসলে একশ্রেণির মানুষ আছে যারা পরের সমোলোচনা করেই সময় কাটায়। আর এক শ্রেণি আছে যারা কাজ করতে ভালোবাসে কোনও ফলের আশা না করে। তৃণমূল কংগ্রেস এই সমস্ত মানুষদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু তাঁরা শত বাধা পেরিয়েও ঠিক মানুষের পাশে এসে দাঁড়াবেন।

 

 

 

বিসিএসএস-এর কোষাধ্যক্ষ সুরজিৎ দেবনাথ জানিয়েছে, মিলনবাবুর পাসে থেকে অসহায় মানুষেরদের সঙ্গে তাদের এই সংগঠন সবসময় থাকবে।

Related Articles

Back to top button
Close