fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিক্রি নেই, মাথায় হাত রাখী ব্যবসায়ীদের

বাবলু ব্যানার্জি, কোলাঘাট: রাখী পূর্ণিমা আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে যে চাহিদা ছিল, এ বছর রাখী কেনার কোনও চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না কোলাঘাট ব্লকের বিভিন্ন স্থানের দোকানগুলিতে। প্রতি বছরের মত রাখী প্রস্তুতকারীরা চার পাঁচ মাস আগে থেকে রাখী প্রস্তুত করে। এবারে করোনা ভাইরাস থাকায় তা হয়ে ওঠেনি। অন্যান্য বছর দেখা যেত  ব্লকের বিভিন্ন   দোকানগুলি মোটা অংকের টাকা দিয়ে দোকানের সামনে ঝুলিয়ে রাখতো নানা রঙের রাখী। কিন্তু এবছর এখনও পর্যন্ত কোনও দোকানদারের দরজায় বা সামনে রাখী ঝুলিয়ে রাখতে দেখা যায়নি।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন ব্লকে রাখী প্রস্তুতকারীরা এখন চরম হতাশায় দিন গুনছে।

রাখী প্রস্তুতকারী ময়না ব্লকের মিঠুন মাইতি ও নিমাই মাইতির সঙ্গে দেখা হয়েছিল। আশপাশের কারিগরদের নিয়ে বেশ কয়েক মাস ধরে রাখী প্রস্তুত করে রাখতেন রাখী পূর্ণিমার জন্য। ঝুঁকি নিয়ে এবারে রাখি প্রস্তুত ও করেছিল কিন্তু শেষ সময়েও বিক্রি না হওয়ায় হতাশ।  লক্ষ লক্ষ টাকার প্রস্তুত করে রাখা রাখী এত কম সময়ের মধ্যে বিক্রি করবে কেমন করে এখন চিন্তার মধ্যে ফেলেছে।

আরও পড়ুন: রাম বিরোধীরা দেশদ্রোহী! তোপ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

তিনি বলেন, শুধু কোলাঘাট ব্লক নয় জেলা থেকে শুরু করে ভিন্ন জেলার মানুষজন ও রাখী নেওয়ার জন্য অর্ডার দিত। কিন্তু এবছর হাতে গোণা কয়েকটি ব্যবসায়ী ছাড়া এখন পর্যন্ত  তেমন সাড়া ফেলেনি। ঈশ্বরের কাছে একটাই প্রার্থনা করছেন এই ব্যবসার জন্য যে টাকা ফেলা হয়েছিল সেই টাকাটাই যদি উঠে তাহলে ধার দেনা করে যে টাকা নেওয়া হয়েছিল তাদেরকে শোধ দেওয়া যাবে।

কোলাঘাট ব্লকের প্রসিদ্ধ দোকান ব্যবসায়ী প্রদীপ পোদ্দার বলেন, রাখী কেনার জন্য বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা আসত, কিন্তু এবছর লকডাউনের জন্য স্কুল বন্ধ থাকায় কোন ছাত্র-ছাত্রী  দেখা নেই। শুধু ছাত্র ছাত্রী নয় ক্লাব থেকে শুরু করে বহু স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান রাখী পূর্ণিমার দিন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিজেদেরকে নিয়োজিত করতো। কিন্তু এবছর  লকডাউন থাকায় সমস্ত অনুষ্ঠান প্রায় বাতিল। রাখী নেওয়ার লোক যদি না থাকে তাহলে দোকানে রেখে লাভ কিছু হবে না।  ব্লকের বেশিরভাগ দোকানদারদেরই একই অভিমত।

Related Articles

Back to top button
Close