fbpx
অসমগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

‘গুয়াহাটিতে শুরু হয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণ’, জানালেন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: আনলকের দ্বিতীয় পর্বে দেশে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। নানাবিধ নিয়মের বেড়াজালকে বুড়ো আঙুল দিয়ে রেকর্ড হারে  বাড়ছে করোনা ভাইরাস। অসমেও লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তবে আক্রান্তের মাত্রা দেখে রবিবার সতর্ক করলেন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার মতে গুয়াহাটিতে নাকি শুরু হয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণ! তাই শুনেই আতঙ্কে কাঁটা অসমবাসী। গত ১০ দিনে ২৭০০ নতুন কেস ধরা পড়েছে গুয়াহাটিতে। আর এ দিন অসমের মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে । রবিবার রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী একটি সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ”গুয়াহাটিতে কমিউনিটির মধ্যে ঢুকে পড়েছে করোনা । প্যানডেমিক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে সংক্রমণ।”

আনলকে ১৪ দিনের কড়া লকডাউন জারি করেও মিলল না সুফল। শেষ পর্যন্ত গোষ্ঠী সংক্রমণের কথা স্বীকার করলেন খোদ অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। রবিবার একটি বৈঠকে অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, “এবার গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। এই সঙ্গেই গুয়াহাটি এবার অতিমারীর পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এই সংক্রমণ এবার আরও বাড়তে থাকবে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।” আর সেই কথা শোনার পর থেকেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অসমবাসীর মধ্যে। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতিমধ্যেই অসম সরকার র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু করেছে। রবিবারই গুয়াহাটিতে একদিনে সর্বাধিক, ৭৭৭জন করোনায় আক্রান্ত হন। রবিবার মাত্র ২৪ ঘণ্টায় অসমে ১২০০-র বেশি মানুষের রিপোর্ট পজিটিভ মেলে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কথায়, “অন্তত মঙ্গলবার পর্যন্ত এভাবেই রাজ্যে সংক্রমণ বাড়বে। তারপর কিছুটা কমতে পারে। আমরা আশা করছি ৮ অথবা ৯ জুলাই থেকে আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমবে।” প্রশাসন সূত্রে খবর, অসমে ডাবলিং রেট বেড়েছে।

আরও পড়ুন: বন্যায় বিপর্যস্ত জাপান, অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে’র

অসমের রাজধানী গুয়াহাটিকে নিয়ে প্রশাসনের আধিকারিকদের কপালে দীর্ঘ হচ্ছে চিন্তার ভাঁজ। এই চরম পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলা করতে অসমের COVID হাসপাতালগুলির শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়া চেষ্টা করছে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। গত ২৯ জুন থেকে মারণ ভাইরাসকে রোধ করতে গুয়াহাটিতে ১৪ দিনের কড়া লকডাউন জারি করা হয়। তারমধ্যে কেবলমাত্র ৪ দিন রাজ্যবাসীকে সামান্য ছাড় দিতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যে দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়।

Related Articles

Back to top button
Close