fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা কালে উচ্চস্বরে বক্স বাজানোর প্রতিবাদ করায় নার্সিং স্টাফকে ঘর ছাড়া করার অভিযোগ

বাবলু প্রামানিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এই করোনাকালে উচ্চস্বরে বক্স বাজানোর প্রতিবাদ করায় নার্সিং স্টাফকে ঘর ছাড়া করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় কাউন্সিলর রঞ্জিত মন্ডল ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজপুর সোনারপুর কর্পোরেশনের ৭ নম্বর ওয়ার্ড নরেন্দ্রপুরের কাদারআট এলাকায়।

অভিযোগ, পেশায় এনআরএস হাসপাতালের নার্সিং স্টাফ মিঠু দাস এলাকায় উচ্চস্বরে মাইক বাজানোর প্রতিবাদ করে। এরপরে মিঠু দাস ও তার পরিবারকে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হয়। ভয়ে আতঙ্কে তারা এখনও ঘরছাড়া। ঘটনার সূত্রপাত, বিশ্বকর্মা পুজোর দিন। ওইদিন উচ্চস্বরে বক্স বাজাচ্ছিল স্থানীয় বেশ কিছু যুবক। এরপরই মিঠু দাস প্রতিবাদ করে। কারণ তাঁর দুই সন্তানের অনলাইন ক্লাস চলছিল। এদের মধ্যে একজন তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র অপরজন প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী।

[আরও পড়ুন- সল্টলেক এনআইএ অফিসে কলকাতা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স-এর আধিকারিকরা]

মিঠূ দাস উচ্চস্বরে বক্স বাজানোর প্রতিবাদ করায় তাঁর ওপর চড়াও হয় স্থানীয় কাউন্সিলর রঞ্জিত মন্ডল ও তার অনুগামীরা। তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর ওই প্রতিবাদী মিঠু দাস গোটা ঘটনা নরেন্দ্রপুর থানায় গিয়ে জানালে ১৯ তারিখ পুলিশ এসে যুবকদেরকে সাবধান করে যায়। ২০ তারিখ অর্থাৎ রবিবার সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ ওই যুবকরা স্থানীয় কাউন্সিলর রঞ্জিত মন্ডলকে সঙ্গে নিয়ে মিঠু দাসের বাড়িতে ফের চড়াও হয়। আবারও তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং কাউন্সিলার নিজে প্রাণে মারার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ।

এরপর মিঠু দাস ও তার পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পুলিশকে জানালে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ গিয়ে সেখান থেকে তাঁদেরকে উদ্ধার করে। এই ঘটনার পর আতঙ্কিত মিঠু দাস ও তার পরিবার। মিঠু দাস তার স্বামী ও সন্তানদেরকে নিয়ে এই মুহূর্তে ঘরছাড়া হয়ে তাঁরা রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে। থাকার জায়গা ঠিক করে উঠতে পারেনি। তবে তারা এন.আর.এস. হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে সেখানেই আপাতত থাকবেন বলে জানিয়েছেন।

 

Related Articles

Back to top button
Close