fbpx
কলকাতাদেশহেডলাইন

গণেশ বন্দনা গেরুয়াময়, বিলি হলো মোদির নাম লেখা লাড্ডু

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: রাম, বজরঙ্গবলী হনুমান আগে থেকেই গেরুয়া। একুশের আগে করোনার আবহে এবার গণপতি বাপ্পাকেও গেরুয়া আবেগে শামিল করতে কসুর করেননি বঙ্গ বিজেপি। মোদির নাম লেখা লাড্ডু বিলি থেকে পুজোর অনুমতির জন্য হাইকোর্টে কড়া নাড়তেও পিছপা হয়নি তারা।

ঘটনা হলো সল্টলেকের মৈত্রী সঙ্ঘের গণেশ পুজো বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্তের পুজো বলে পরিচিত। এ বছর শুরুতে বিধাননগর পুরনিগম ও পুলিশের অনুমতি মেলেনি। পুজোর উদ্যোক্তারা এরপর কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। মৈত্রী সংঘের সভাপতি বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত বলেন, ‘ আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ দফতরের কোটেশন, বিধাননগর পুরনিগম ও দমকলের অনুমতির চিঠি, আদালতের রায়ের কপি বিধাননগর উত্তর থানা জমা নেয়নি। আমরা বিধাননগর কমিশনারেটে ই মেল করি। শেষমেষ কলকাতা হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে পুজোর অনুমতি মেলে।’ শনিবার এই পুজোর উদ্বোধন করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা মুকুল রায়। করোনা বিধি মেনে ছোট আকারেই এবার মৈত্রী সঙ্ঘের পুজো হচ্ছে। আগামী ২৪ তারিখ গণেশ পুজোর নিরঞ্জন হবে।

অন্যদিকে গণপতি আরাধনায় বিজেপির যুবনেতা নারায়ণ চট্টোপাধ্যায় মোদির নাম লেখা বিরাট লাড্ডু বিলোলেন । বিজেপির রাজ্য দফতরের কাছে এই পুজোর উদ্বোধন করে বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক  রাহুল সিনহা প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে ওই লাড্ডু ছুঁইয়ে বলেন, ‘বিঘ্নবিনাশকের কাছে দেশের করোনা মুক্তির প্রার্থনা করছি। একইসঙ্গে মোদিজির সাফল্য কামনা করে এই লাড্ডু তাঁকেও উৎসর্গ করছি। কেননা মোদিজি আমাদের কাছে দেবতা।’ এর পাশাপাশি তিনি এদিন তৃণমূলকে খোঁচা মেরে বলেন, ‘ তৃণমূল কংগ্রেস এতোদিন শুধু আল্লা আল্লা করতো। এখন বিজেপির ঠেলায় পড়ে রামনাম করছে, হনুমান জয়ন্তী করছে, এখন আবার গণেশপুজোও করছে। আমি মনে করি এটাও বিজেপির সাফল্য।’ এদিন রাহুল সিনহা দমদমসহ শহরের একাধিক গণেশপুজোর উদ্বোধন করেন।  এদিন সন্ধ্যায় ঢাকুরিয়ার শহিদ নিয়েও গণেশ পুজোর উদ্বোধন করেন বিজেপির সহ-সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, যুবমোর্চার সভাপতি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, যুবমোর্চার জাতীয় মুখপাত্র সৌরভ সিকদার। সব মিলিয়ে করোনা আবহে গণেশপুজোর রং এবার গেরুয়া।

Related Articles

Back to top button
Close