fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

স্কুল পরিযায়ী শ্রমিকদের দখলে, মিড ডে মিলের চাল ও আলু বিলি করতে পারেনি অনেক স্কুল

বিজয় চন্দ্র বর্মন, মেখলিগঞ্জঃ সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলিতে আশ্রয় নিয়েছে ভিন রাজ্য থেকে ফেরত পরিযায়ী শ্রমিকরা। কারণ পরিযায়ী শ্রমিকদের রাখার জন্য যে পরিমান সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের প্রয়োজন সে পরিমানে নেই। ফলে পর্যাপ্ত পরিমানে সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার না থাকায় অনেক পরিযায়ী শ্রমিককে আশ্রয় নিতে হয়েছে নিজের এলাকার কোনও প্রাথমিক বা উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

 

 

 

এছাড়া রাজ্যের নিরিখে প্রশাসনের থেকে অনেক পরিযায়ী শ্রমিককে পার্শ্ববর্তী স্কুল বা নিজের বাড়িতে হোম কোয়ারান্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ফলে মেখলিগঞ্জ ব্লকের অনেক প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিযায়ী শ্রমিকদের দখলে। যদিও এক্ষেত্রে শিক্ষা দপ্তরের অনুমোদন নেই বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু ব্লক প্রশাসনের ও স্থানীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তে কিছু কিছু স্কুলে পরিযায়ী শ্রমিকদের থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্কুলের চাবি দেওয়াকে কেন্দ্র করে মেখলিগঞ্জ ব্লকের জামালদহের ইটালের বাড়ি এ পি প্রাইমারী স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকদের বিরোধ বাঁধে। যদিও শেষ পর্যন্ত ব্লক প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে। আর তার জেরে ওই স্কুলে ছাত্র ছাত্রীদের বিলি করা হয়নি মিড ডে মিলের চাল ও আলু। অথচ সরকারি ভাবে ঘোষনা করা হয়েছে, লক ডাউনের মধ্যেই স্কুল গুলিতে মিড ডে মিলের চাল ও আলু বিলি করতে হবে। সেই নির্দেশিকা মতো বিকল্প কোনও স্থানে মিড ডে মিল বিলি করেননি ওই স্কুল ।

 

 

 

ফলে মিড ডে মিলের চাল ও আলু না পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ছাত্র ছাত্রীরা। এদিকে কোনও মতেই এ অবস্থায় চাল ও আলু বিলি করতে পারবেননা বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। স্কুলের তরফে জানানো হয়েছে, স্কুল খোলার পর বিলি করা হবে। তার আগে স্কুল স্যানিটাইজড করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক শিক্ষিকারা। এদিকে মুখ্য মন্ত্রী ঘোষনা করেছেন, আগামি ৩০ জুন পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকবে। তাই সেই মিড ডে মিলের চাল ও আলু পেতে আরও প্রায় ২০ দিনের অপেক্ষা।

Related Articles

Back to top button
Close