fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

জীবিত ব্যক্তিকে মৃত বানিয়ে বার্ধক্য ভাতা বন্ধ, বিডিওর দ্বারস্থ প্রৌঢ়

অভিষেক চৌধুরী, কালনা: জীবিত ব্যক্তিকে মৃত বানিয়ে বার্ধক্য ভাতা বন্ধ! এই অভিযোগ তুলে জীবিত সেই প্রৌঢ়ই পূর্ব বর্ধমানের কালনা ১ নং ব্লকে বিডিওর দ্বারস্থ হলেন। ভাতা না পাওয়ায় চরম সমস্যার মধ্যে পড়া সাতাত্তর বছরের সেই প্রৌঢ় বার্ধক্য ভাতা চালু সহ পূর্বের বকেয়া টাকা পাওয়ার আবেদন জানান সোমবার।যদিও বিষয়টি দেখা হচ্ছে বলে ব্লক প্রশাসনসূত্রে জানা যায়।

কালনার নন্দগ্রাম নিবাসী গোপাল অধিকারী নামের ওই প্রৌঢ় তিনি অভিযোগে জানান যে, ২০১৬ সাল থেকে তিনি বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন। ২০১৯ সালের ‍ডিসেম্বর মাস থেকে তার বার্ধক্য ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। আর এই কারণেই তিনি চরম সমস্যায় পড়েছেন।তার আরো অভিযোগ এর আগেও ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় একবছর ধরে তিনি টাকা পাননি।

এই বিষয়ে গোপাল অধিকারী বলেন, ‘এই বৃদ্ধ অবস্থায় সরকারীভাবে যে ভাতাটুকু পেতাম সেটাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে।স্বাভাবিক কারণেই ওষুধপত্র কেনা সহ সংসারের যেটুকু প্রয়োজন মিটতো তাও আর হয়না। আমরা এমনিতেই বেশ গরীব।বর্তমানে বেশ সমস্যায় পড়েছি। বেশ কয়েকমাস ধরে টাকা পাচ্ছিনা। এর আগেও এইরকমভাবেই টাকা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।একবছর ধরে টাকা পাইনি। আবারও কাগজপত্র দিলে ভাতাটা ফের চালু হয়। তারপরে আবার বন্ধ হয়ে যায়। পরে জানতে পারি গোপাল অধিকারী নামে অন্য আর এক ব্যক্তির ডেথ সার্টিফিকেট অফিসে জমা পড়ে।যদিও তার বাবার নামের সঙ্গে আমার বাবার নামের কোনো মিল নেই। আর তারপরেই এই ঘটনা ঘটেছে।তাই কালনা এক নম্বর ব্লক বিডিও র দ্বারস্থ হয়েছি।অভিযোগ জানিয়েছি। ওনার কাছে বার্ধক্য ভাতা চালু সহ পূর্বের বকেয়া টাকা পাওয়ার আবেদন জানিয়েছি।’

এই বিষয়ে ওই প্রৌঢ়ের ছেলে স্বপন অধিকারী বলেন, ‘এই বয়সে বাবার শরীর ভালো নয়। ওষুধপত্রের জন্যও অনেক টাকা লাগে। আমি দিনমজুর কাজের সঙ্গে যুক্ত। যেটুকু রোজগার করি তাতে কোনরকমে চালিয়ে নিই। সরকারিভাবে ভাতাটা বাবা পাওয়ার পর থেকে অনেকটাই সুরাহা হত। কিন্তু না পাওয়ায় সমস্যায় রয়েছেন।’ এই বিষয়ে কালনার বিডিও সেবন্তী বিশ্বাস জানান, ‘ একটি অভিযোগ পেয়েছি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

Related Articles

Back to top button
Close