fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

জল না পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলেন বৃদ্ধ দম্পতি

বাবলু ব্যানার্জি, কোলাঘাট: হন্য হয়ে প্রায় একবছর প্রশাসনিক দফতরে ঘুরাঘুরি করেও পানীয় জল না পেয়ে অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলেন বৃদ্ধ দম্পতি গোবর্ধন সাঁতরা ও কৃষ্ণা দেবী। ঘটনাটি কোলাঘাট ব্লকের ভোগপুর অঞ্চলের কিশোরচক গ্রামের। এক বছর আগে ২০০০ টাকা পানীয় জল পাওয়ার জন্য জমা দিলেও এখনো ছাড়পত্র মেলেনি পানীয় জল পাওয়া থেকে। সাতজনের পরিবার হলেও কর্মসূত্রে সবাই বাইরে থাকেন। ওই বৃদ্ধ দম্পতিই কেবল বাড়িতে থাকেন।

 

অভিযোগ, তাঁরা পানীয় জল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এলাকায় পানীয় জলের সংকট দূর করতে একটি সাবমারসিবল পাম্প বসিয়ে বাড়ি বাড়ি পরিশ্রুত পানীয় জল দেওয়ার উদ্যোগ স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত নেয়। সাবমারসিবল পাম্প বসে যাওয়ার পর স্থানীয় ভাবে কমিটি করে পরিবার পিছু দুই হাজার টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তে গোবর্ধন বাবুও ২ হাজার টাকা পানীয় জল পাওয়ার জন্য দেন। কিন্তু বছর ঘুরে দু’বছরে হতে যায় জলের সংযোগ মেলেনি।

 

অন্যান্যরা পানীয় জলের সুবিধা পেলেও প্রতিবেশীদের বিরোধিতায় এখনো পর্যন্ত জল পাওয়া থেকে বঞ্চিত এই পরিবার। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ বিভিন্ন প্রশাসন দফতরে ঘুরাঘুরি করা হলেও সুরাহা পাওয়া যায়নি। পরিশ্রুত পানীয় জল পাওয়ার জন্য বাধ্য হয়েই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন এই দম্পতি। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে পানীয় জল পাওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

ভোগপুর গ্রাম পঞ্চায়েত-এর পক্ষ থেকে প্রধান বিশ্বজিৎ ভঞ্জ বলেন, পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জল দেওয়া হয়নি একথা ঠিক নয়। নিজেদের শরিকি বিবাদে কাজটি থমকে আছে। প্রশাসনকে টাকা দেওয়া হয়েছে একথাও ঠিক নয়, পঞ্চায়েত সাবমারসিবল বসিয়েছে ঠিকই,কিন্তু যে স্থানে বসানো হয়েছে ওইখানের কমিটি সমস্ত কাজ পরিচালনা করে। ওই কমিটির সঙ্গে পঞ্চায়েতের কোনও সম্পর্ক নেই। সাবমারসিবলটি কিভাবে চলবে তার দেখাশোনা করে ওই কমিটি, পঞ্চায়েতের সঙ্গে জড়িয়ে দেওয়াটা ঠিক নয়। আগামী ৩ অক্টোবর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে তাঁদেরকে ডাকা হয়েছে বিস্তারিত আলোচনার জন্য। তবে এই বিষয়টি কোলাঘাট প্রশাসনিক প্রধান মদন মোহন মন্ডল কে অবগত করা হবে।

Related Articles

Back to top button
Close