fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

ইজরায়েল ইস্যুতে আমিরশাহির পথে ওমান-বাহরাইন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইজরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে কথিত ঐতিহাসিক চুক্তি করেছে আমিরশাহি। এবার আমিরশাহির পথ ধরে উপসাগরীয় অঞ্চলের দুই দেশ বাহরাইন এবং ওমানও তেল আভিবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে যাচ্ছে। এমনটা জানিয়েছেন ইসরায়েলের গোয়েন্দা বিষয়ক মন্ত্রী এলি কোহেন। তিনি বলেন, ‘এই চুক্তি (আমিরশাহি সঙ্গে) হওয়ার পরপরই একই লক্ষ্য নিয়ে আরও কিছু চুক্তি হতে যাচ্ছে। আর এই তালিকায় রয়েছে উপসাগরীয় অঞ্চল ও আফ্রিকার মুসলিম প্রধান দেশগুলি।’

আমিরশাহির সঙ্গে শান্তি চুক্তির তিনদিন পর ইজরায়েলের এই মন্ত্রী বলেছেন, ‘আমি মনে করি বাহরাইন এবং ওমান স্পষ্টতই এখন এই আলোচ্যসূচিতে রয়েছে। এ ছাড়াও আমার মূল্যায়ন অনুযায়ী আগামী বছরগুলিতে আফ্রিকার আরও কিছু মুসলিমপ্রধান দেশের সঙ্গে শান্তি চুক্তি হবে। এই তালিকায় সবার প্রথমে রয়েছে সুদান।’

প্রসঙ্গত, বাহরাইন এবং ওমান উভয়ই বৃহস্পতিবার ঘোষিত আমিরশাহি -ইজরায়েল শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তেল আভিবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা নিয়ে দুটি দেশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ওমান ও বাহরাইন উভয় দেশই আমিরশাহির পথেই হাঁটছে।

সূত্রের খবর, গত দুই বছরে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ওমান ও সুদানের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে এ নিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন। এ প্রসঙ্গে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘ওই অঞ্চলের বেশ কিছু দেশের সঙ্গে এ নিয়ে কথা চালাচ্ছে হোয়াইট হাউস। তাতে আরও কিছু চুক্তি করা যায় কিনা তার চেষ্টা করা হচ্ছে।’ তবে ওই মার্কিন কর্মকর্তা কোনো দেশের নাম প্রকাশে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, ‘দেশগুলো অবশ্যই মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা অঞ্চলের আরব ও মুসলিম প্রধান দেশ।’

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় আমিরশাহি ও ইজরায়েলের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছে, তাকে বিশ্বাসঘাতকতা আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিন। চুক্তির পর আমিরশাহির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার হুমকি দিয়েছে তুরস্ক। এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, ‘এই চুক্তি করে বিরাট ভুল করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।’ প্রসঙ্গত, ১৯৭৯ সালে মিসর এবং ১৯৯৪ সালে জর্ডানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করে ইজরায়েল। তবে বেশিরভাগ আরব দেশের মতো এতদিন আমিরশাহির সঙ্গে কোনো ধরনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিল না ইজরায়েলের।

Related Articles

Back to top button
Close