fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিদ্যাসাগরের দ্বিশততম জন্মবার্ষিকীতে দিনমজুর মা বাবাকে সাক্ষরতার পাঠ পড়ুয়াদের

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর চেয়েছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা থেকে নারী শিক্ষার প্রসার। যার মাধ্যমে উন্নত সমাজ তৈরি হবে। বিদ্যাসাগরের দ্বিশততম জন্মবার্ষিকীতে আসানসোলের জামুড়িয়ায় দেখা গেল নারী শিক্ষা প্রসারের বিশেষ উদ্যোগ। আদিবাসী পাড়ায় বয়স্কদের সাক্ষরতা অভিযান শুরু হল। তবে এই সাক্ষরতা অভিযান একটু অন্যরকমের। ছোট ছোট পড়ুয়ারা তাদের মা ও বাবাদের দিলেন সাক্ষরতার পাঠ। শ্লেট, পেনসিল নিয়ে অ আ ক খ শিখছেন মনি বেসরা, নীলমনি কিস্কু, দুর্গা মূর্মূরা।

শনিবার বিদ্যাসাগরের দ্বিশততম জন্মশত বার্ষিকীতে এমন এক ছবি দেখা মিললো খনি শিল্পাঞ্চল জামুড়িয়ায়। লক ডাউনের সময় জামুড়িয়ার তিলকা মাঝি আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক দ্বীপ নারায়ণ নায়েক উদ্যোগী হয়েছিলেন পড়ুয়াদের পঠন পাঠন দিতে। আদিবাসী পাড়ায় লক ডাউনের বিশেষ সেই পাঠশালায় পঠন পাঠনের সময় পড়ুয়াদের মা ও বাবারা এসে বসে থাকতেন খোলা আকাশের নীচে। পড়া হয়ে গেলে তারা আবার ছেলে মেয়েদের নিয়ে বাড়িমুখো হতেন। অনেক অভিভাবকই সেই শিক্ষকের কাছে পড়াশুনা শেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। সেই বাবা মায়েদের ইচ্ছাকে পূরণ করতে দ্বীপ নারায়ণ নায়েক বার করলেন এক অভিনব উপায়। নিজের বাবা মায়েদের পড়াশোনা করানোর দায়িত্ব বর্তালেন পড়ুয়াদের উপরেই। সেই থেকে শুরু হলো বয়স্কদের সাক্ষরতা অভিযান।

যেখানে ছোটরা পড়াচ্ছেন আর বড়রা পড়ছেন। শিক্ষক দীপ নারায়ণ নায়েক বলেন, বিদ্যাসাগরের জন্মদিন থেকেই শুরু হল জামুড়িয়ার জবা গ্রাম, এবিপিট ও শিরিষডাঙা আদিবাসী পাড়ায় সাক্ষরতার এই নতুন অধ্যায়। যা শুরু করলো কচিকাঁচারা।

Related Articles

Back to top button
Close