fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

চলতি মাসে লকডাউনের চতুর্থ দিনে মালদায় চলছে পুলিশের কড়া নজরদারি, আটক ১০০

মিল্টন পাল, মালদা: করোনা সংক্রমণে জেরবার দেশ থেকে রাজ্য। আর প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। মালদা জেলাও তার ব্যাতিক্রম নয়। চলতি মাসের লকডাউনের চতুর্থ দিনে মালদা শহরের কৃষ্ণপল্লী এলাকায় ও হরিশ্চন্দ্রপুরের ভালুকায় বাজারে সবজি থেকে মাছ-মাংস বেচাকেনা চলে। রীতিমতো গাদাগাদি করে ক্রেতারা মাছ মাংস কেনার জন্য ভিড় জমিয়েছিলেন। সামনে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা আসতেই, মাছ , মাংসের দোকান ফেলে দৌড় দিলেন বিক্রেতারা।যদিও পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় টহলদারি চালিয়েছে ঠিকই । কিন্তু যেখানে যখন পুলিশের নজরদারির অভাব ছিল, সেখানে রাস্তার ধারে মাছ-মাংস বেচাকেনা করতে হিড়িক পড়ে যায়। আর তা কিনতে ভিড় করে সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার লকডাউনের দিন মালদা শহরের রথবাড়ি থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকায় বাজার হাঠে ব্যাপক টহলদারি চালায় ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। যদিও এদিন রাস্তাঘাট ছিল একেবারেই শুনশান। কিছু যানবাহন চলাচল করেছে ঠিকই, কিন্তু পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নির্দিষ্ট কাগজপত্র দেখিয়েছেন চালকেরা। অবাঞ্ছিতভাবে কয়েকটি চায়ের দোকান খোলা থাকলেও পুলিশি অভিযানে সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন:দাউ দাউ করে জ্বলছে ক্যালিফোর্নিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল, প্রাণ হাতে করে দৌড়চ্ছে মানুষ, মৃত ৫

ইংরেজবাজার, পুরাতন মালদা থানা সহ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এদিন প্রায় ১০০ জনকে আটক করা হয়েছে। লকডাউন লঙ্ঘন করার অভিযোগে আটক করা হয়েছে বেশ কিছু মোটরবাইকও। অন্যদিকে কালিয়াচক থেকে ইংরেজবাজার, পুরাতন মালদা, গাজোল থানা এলাকায় অবস্থিত ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর নজরদারি ছিল পুলিশের ব্যাপক। জাতীয় সড়কে পেট্রলভ্যান ঘনঘন টহলদারি চালায় জাতীয় সড়কে। লকডাউন অমান্য করা,মাস্ক ছাড়া বাইরে বেড় হলেই তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয় জেলা পুলিশ।

পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, লকডাউন সফল করতে জেলার সমস্ত থানা এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হয়েছে। কোথাও কোনরকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের সচেতনতা মূলক প্রচার চালানো হয়েছে।পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করতে প্রতিটি থানা এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে।

Related Articles

Back to top button
Close