fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবসে, এই পেশার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা চরম সঙ্কটের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরে

বাবলু ব্যানার্জি, কোলাঘাট: আজ বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস। আজকের দিনটিকে সামনে রেখেই ফটোগ্রাফির সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। গত বছর পর্যন্ত নানা অনুষ্ঠানের বহর দেখতে পাওয়া গেলেও এবছর করোনা আতঙ্কের জন্য অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে বলে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। অনুষ্ঠান না হলেও দূরাভাষের মধ্য দিয়ে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত কর্মীদের অভিনন্দনের বার্তা দেওয়া হয়েছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেও এই করোনার সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছে তাদের ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখার জন্য।
কেউ করেছে দোকান, কেউ মোটর ভ্যানের পার্টস বিক্রির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, আবার কেউ সবজির দোকান করেছে।

উল্লেখ করা যায়, জেলায় দিঘা থেকে পাঁশকুড়া পর্যন্ত ফটোগ্রাফির সঙ্গে যুক্ত কর্মী থেকে মালিক রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজস্ব কাজে লিপ্ত। ভালো-মন্দ সবটাই তাদের ক্যামেরার মধ্যে থাকে। মানুষের সুখ-দুঃখে ও সাক্ষী থাকে। দুঃখের বিষয় বিভিন্ন সময় এদের নিয়ে গঠিত অ্যাসোসিয়েশনে নানা অপপ্রচারও লক্ষ্য করা যায়। তবুও নিজেদের কাজে অবিচল থাকে। অন্যান্য বছর মোটামুটি ব্যবসা করলেও দু হাজার কুড়ি সালটা তাদের কাছে মোটেই ভালো নয়। করোনা ভাইরাসের জন্য দোকানে ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি। অনুষ্ঠান বাড়ি থেকে নানা পুজো অনুষ্ঠানে হাতে ক্যামেরা নিয়ে ক্যামেরাম্যানকে ঘুরাফেরা করতে দেখা যায়নি। তাদেরকে দেখা যাচ্ছে কাউকে সবজি ব্যবসা করতে, স্টেশনারি দোকানের মাল পত্র বিক্রি করতে, মোটর ভ্যানের যন্ত্রাংশ বিক্রি করতে।

আরও পড়ুন:সুশান্ত কাণ্ডে সুপ্রিম নির্দেশকে স্বাগত বিজেপির

নন্দকুমারের শ্রীকান্ত মাঝি, তমলুক সদরের প্রলয় শংকর অধিকারী সঙ্গে কথা বলা হলে তারা বলেন ঘরে সংসার আছে, পেট তো চালাতে হবে, কোন কাজকে ছোট করে দেখা উচিত নয়, সব কাজই সমান।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ফটোগ্রাফিক অ্যাসোসিয়েশন এর সম্পাদক ও সভাপতি সূর্য সামন্ত ও রতিকান্ত মন্ডল বলেন, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে সারা বছর এই কাজ করতে হয়। এবছর করোনা ভাইরাসের জন্য আমাদের হয়েছে গোদের ওপর বিষফোঁড়া। বিশেষ করে করোনা ভাইরাসের জন্য এই পেশার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের অর্থনৈতিক দিক থেকে চরম সঙ্কটের মধ্যে পড়তে হয়েছে। অন্যান্য বছর এই জেলায় বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস পালন করা হয়। কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতির উপর গুরুত্ব দিয়েই এবছর বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে যোগাযোগের খামতি রাখা হয়নি আজকের দিনে। সবশেষে বলি এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সরকারের এখনও পর্যন্ত কোনও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা দেখা যায়নি।

Related Articles

Back to top button
Close