fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সীমান্ত গ্রাম থেকে একের পর এক পাচার হচ্ছে নারী, আতঙ্কে তাদের পরিবার

শ্যাম বিশ্বাস, উওর ২৪ পরগনা: সীমান্ত গ্রাম থেকে একের পর এক পাচার হচ্ছে নারী, আতঙ্কে তাদের পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট মহকুমা বসিরহাট থানা বাশঝাড়ি মল্লিক পুর শাকচুড়া গ্রাম পঞ্চায়েত সীমান্ত এলাকায়।

২০১৬ সালে এক তরুণীকে কাজ দেওয়ার নাম করে নার্সিংহোমের মালিক বিক্রি করে দেয় মহারাষ্ট্রের এক ব্যক্তির কাছে। তারপর চলে দীর্ঘ সাত মাস ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন। তারপর ওই নির্যাতিতা ফোনে যোগাযোগ করতে পারে নিজের বাড়ি সঙ্গে।
নির্যাতিতা পরিবারের লোকেরা দ্বারস্থ হয় বসিরহাট থানার পুলিশের কাছে। তারপর খবর যায় শিশু ও নারী পাচার রোধের বাদুড়িয়া থানার শায়েস্তানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তেঘরিয়া গ্রামে ‘পথের দাবি’ সংগঠনের কাছে। সেই সংগঠনের সেক্রেটারি ফারুক মোল্লার তৎপরতায় বসিরহাট থানার পুলিশ দীর্ঘ আট নয় মাস পর নির্যাতিতাকে বাড়ি ফিরে আনতে পারেন।

কিন্তু বাড়ি ফিরে আসার পর পরিবারও পাড়া-প্রতিবেশীর কাছে সে লাঞ্ছনার শিকার হয়। নির্যাতিতার বাবার বক্তব্য, মেয়েকে কষ্ট করে লেখাপড়া শিখিয়ে ছিলাম। আমি চাই যারা এই কাজ করছে তাদের কঠিন শাস্তি দেওয়া হোক।

ঘটনায় মোট ১০ জন গ্রেফতার হয়। তার মধ্যে ছিল নার্সিং হোমের মালিক।তদন্তের ভার চলে যায় সিআইডির হাতে, তারপর এই দশজনের মধ্যে নার্সিং হোমের মালিক সহ ৬ জন মুক্তি পায়, বাকি চারজন জেলবন্দি। তাদের বিচার চলেছে বসিরহাট আদালতে।
কিন্তু জেলবন্দি অপরাধীদের কাছ থেকে নির্যাতিতাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে প্রাণনাশের। কেস তুলে না নিলে আবার তুলে নিয়ে গিয়ে পাচার করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

নির্যাতিতার লিখিত অভিযোগ করেন আদালতের কাছে। আদালতের তৎপরতায় পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয় তার বাড়িতে। কিন্তু তারপরেও হুমকি থামেনি পাচারকারীদের। নিযাতিতার বাড়িতে পুলিশ পাহারা থাকা সত্ত্বেও ওই নির্যাতিতা বাড়ির বাইরে আসতে পারছে না।

আরও পড়ুন: তিনদিনের সামরিক শক্তি প্রদর্শনে কোয়াডা, নৌমহড়ায় এবার ভারত, জাপান, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া

প্রশ্ন উঠছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে, ওই নির্যাতিতা কোর্টে সাক্ষী দিতে পুলিশি ঘেরাটোপের মধ্যে দিয়ে তাকে নিয়ে আসতে হচ্ছে কোর্টে।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ওই অসহায় নির্যাতিতার আর্জি বর্তমানে সে নিজে অসুস্থ, চিকিৎসা করার মতো পয়সা নেই। আমার অবস্থা যদি বিবেচনা করা হয় তখন ভালো হয়।

Related Articles

Back to top button
Close