fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বধূকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার স্বামী

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান : স্ত্রীকে খুন করার অভিযোগ গ্রেফতার হল স্বামী । ধৃতের নাম সেখ মোজাম্মেল হক ওরফে মধু ।পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার হিজলনা পঞ্চায়েতের জ্যোৎসাদি গ্রামে ধৃতের বাড়ি । স্ত্রী নুরজাহান বেগম (২৭) কে

খুন করার অভিযোগে রবিবার গভীর রাতে রায়না থানার পুলিশ মোজাম্মেল হককে গ্রেফতার করে । ধৃতের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি করেছে বধূর বাবার বাড়ির সদস্যরা ।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে ,বছর পাঁচেক আগে বাঁকুড়ার ইন্দাস থানার রোল গ্রামের তরুণী নূরজাহানের সঙ্গে বিয়ে হয় রায়নার জ্যোৎসাদি গ্রামের যুবক মোজাম্মেল হকের। বিয়ের সময় শ্বশুরবাড়ির চাহিদা মত নগদ টাকা, সোনাদানা,মোটর সাইকেল প্রভৃতি দিয়েছিল বধূর বাবার বাড়ির সদস্যরা । বধূর দাদা সেখ সিরাজুল পুলিশকে জানিয়েছে , ‘বিয়ের পর থেকে বাবার বাড়ি থেকে আরও টাকা আনার জন্য নূরজাহান কে চাপ দিত শ্বশুরবাড়ির লোকজন।নূরজাহান সেই দাবি না মানায় শ্বশুরবাড়ি লোকজন তার সঙ্গে অশান্তি করতো। তাকে মারধোরও করা হত ।

অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে মাঝে একবার নূরজাহান বাপেরবাড়িতে চলে আসে । সেই সময়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিটমাট করে নিয়ে নূরজাহানকে তাঁর স্বামীর ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে যায় । সিরাজুল সেখ আরও বলেন , রবিবার বেলায় নূরজাহানের শ্বশুরবাড়ির প্রতিবেশীরা তাদের ফোন করে জানায়, যে নূরজাহান মারা গেছে৷এই খবর পেয়ে দ্রুত তারা নুরজাহানের শ্বশুরবাড়ি পৌছে যান।সেখানে গিয়ে দেখেন শ্বশুরবাড়ির সবাই বেপাত্তা হয়ে গিয়েছে ।শ্বশুরবাড়ির বারান্দায় অচৈতন্য হয়ে পড়ে রয়েছে নূরজাহান ৷ তার গলায় ও হাতে ছিল আঘাতের চিহ্ন ।

 

 

সিরাজুল জানান,এরপরেই তারা নূরজাহানক উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়েযান । সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বধূকে মৃত ঘোষনা করেন । নূরজাহানকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করে তাঁর দাদা সিরাজুল সেখ ওই দিন রাতেই রায়না থানায় অভিযোগ দায়ের করেন । ’

দায়ের হওয়া সেই অভিযোগের ভিত্তিত রায়না থানার পুলিশ বধূ নির্যাতন ও খুনের ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তে নামে । রবিবার গভীর রাতে পুলিশ মৃতার স্বামী মোজাম্মেল হককে গ্রেফতার করে ।এদিন ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে । খুনের ঘটনার মোটিভ উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে সাত দিন নিজেদের হেপাজতে নিতেচেয়ে আদালতে আবেদন জানান । বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন ।

Related Articles

Back to top button
Close