fbpx
গুরুত্বপূর্ণব্লগহেডলাইন

একমাত্র বিজেপিই পশ্চিমবঙ্গে নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে

দেবশ্রী চৌধুরী: বাংলার মাটি জন্ম দিয়েছে মহান চিন্তাবিদ ও সমাজ সংস্কারকদের যারা যুগ যুগ ধরে দেশকে নতুন প্রগতির পথ দেখিয়ে এসেছেন। তাঁরা কুসংস্কারাচ্ছন্ন, প্রাচীন রীতিনীতি এবং পশ্চাৎমুখী মানসিকতার বিরুদ্ধে লড়াই করে মানুষের মুক্তি ও অগ্রগতির দিক নির্দেশ করেছেন। গতকাল ছিল ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী। নারী জাতির কল্যাণে তাঁর অসামান্য অবদান সর্বজনবিদিত। নারীদের শিক্ষার প্রসারের মধ্যে দিয়ে যে সামাজিক পরিবর্তনের ডাক তিনি দিয়েছিলেন যুগ যুগ ধরে তার সুফল লাভ করে আমাদের দেশের নারীরা আজ সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছেন। বাংলার নবজাগরণ এবং ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার লড়াই এই ভূমির পবিত্রতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। বৈপ্লবিক সামাজিক পরিবর্তন হোক বা শিল্প, সংস্কৃতি এবং বৌদ্ধিক জাগরণ, বাংলা গোটা দেশকে শুধু আলোকিতই করেনি, উন্নত ভারতের ভবিষ্যতের ভিত্তি স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল। আর সেই মহান সংস্কারে বাংলার নারীদের বিরাট ভূমিকা ছিল। নারী মুক্তির মাধ্যমে শুধু যে বাংলার সমাজ গঠনের কাজ হয়েছিল তা নয়, গোটা দেশের নারীকেন্দ্রিক সামাজিক পরিবর্তনের দিক নির্দেশিত হয়েছিল।

বাংলার মাটি মা দুর্গার মাটি। মহালয়ার পর আমরা দেবীপক্ষে প্রবেশ করি। আর কদিন বাদেই দুর্গাপুজো। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, পুজোর কটা দিন গোটা বিশ্বের আপামর বাঙালির কাছে অত্যন্ত আনন্দের। আমার কাছেও দুর্গাপুজো খুবই আনন্দের। কিন্তু যখন ভাবি যে ভূমিতে এতো আনন্দের সঙ্গে মানুষ দুর্গাপুজো উদযাপন করেন সেই বাংলার নারীদের নিরাপত্তা একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে তখন মন খারাপ হয়ে যায়। মা দুর্গার দুষ্টের দমনে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন, কিন্তু এটা খুবই লজ্জার হলেও সত্যি যে পশ্চিমবঙ্গে একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও এই রাজ্যে প্রায় প্রত্যেক দিন কাউকে না কাউকে ধর্ষিতা হয়ে খুন হতে হয় বা শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয়। পশ্চিমবঙ্গে আইন শৃঙ্খলার সমস্যা নতুন কিছু নয়। তা সে কংগ্রেস আমলে হোক বা বাম শাসিত ৩৪ বছর, আইনের শাসন এই রাজ্যে কোনদিনই ছিল না। কিন্তু যিনি পরিবর্তনের ডাক দিয়ে রাজ্য চালানোর ভার নিয়েছিলেন তাঁর শাসনকালে যে ভাবে নারীদের উপর ক্রমাগত আক্রমণ নেমে এসেছে তাতে প্রমাণ হয় যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনে শুধু ব্যর্থই হননি, তিনি নারী জাতির সামাজিক সুরক্ষাহীনতার এমন এক উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন যা গোটা দেশে নজিরবিহীন।

এক সময় সামাজিক সংস্কার ও অগ্রগতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা পশ্চিমবঙ্গ আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ভয়াবহভাবে পিছিয়ে পড়েছে। পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণের ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়েও আক্রান্ত মহিলার বিরুদ্ধে বিরক্তিকর মন্তব্য করে তাঁকে মিথ্যাবাদী এবং গোটা ঘটনাটিকে মনগড়া বলে বিবৃতি দিয়েছিলেন। এর থেকে বোঝা যায় তাঁর কাছে রাজনৈতিক স্বার্থই সর্বোপরি, তাই নারী সুরক্ষার প্রতি তিনি সম্পূর্ণ উদাসীন। তৃণমূলের সাড়ে নয় বছরের শাসনকালে মানুষ বুঝতে পেরেছেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী থাকলে কোনও মহিলা এখানে নিরাপদ থাকবেন না।

ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির পরেও আক্রান্তদের হয়রানির শিকার হতে হয় কারণ পুলিশ কেস রেজিস্টার করতে অস্বীকার করে। শুধু তাই না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার নারী নির্যাতনের উপর রাশ টানার চেষ্টা তো করেননি বরং উল্টে সমস্ত ঘটনাকে ছোট করে দেখিয়ে প্রশাসনের দোষ ঢাকার চেষ্টা করেছে। একজন মহিলা হয়েও যে তিনি নারীদের প্রতি এতো অবহেলাকেও দেখতে পারেন, সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে না দেখলে বিশ্বাস করতাম না। গত কয়েক বছরে সংখ্যার নিরিখে যৌন হয়রানিতে পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে অন্যতম শীর্ষস্থান দখল করেছে কিন্তু রাজ্য সরকার তথ্য লুকিয়ে সংখ্যা কম দেখানোর মরিয়া চেষ্টা করে চলেছে। অপরাধীদের বিচার ব্যবস্থার আওতায় আনতে পারেনি বলেই আজ পশ্চিমবঙ্গে দুর্বৃত্তায়ন একটা রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক মান্যতা পেয়েছে, কারণ সব কিছু জেনেশুনেও সরকার নির্বিকার।

আরও পড়ুন:চিনের করোনা ভ্যাকসিন ব্যবহারে সায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার!

অ্যাসিড হামলায় পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে সবার উপরে। ২০১৮ সালে সারা দেশের অ্যাসিড হামলার ২২ শতাংশ আমাদের রাজ্যে ঘটেছিল। দেশের অ্যাসিড আক্রমণগুলির প্রায় এক-চতুর্থাংশ ঘটনার জন্য পশ্চিমবঙ্গ দায়ী। এর থেকে বোঝা যায় আমাদের রাজ্যে নারীদের জন্য কি ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংখ্যার ভিত্তিতে পরিস্থিতি খুব উদ্বেগজনক দেখালেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলদাস হয়ে কাজ করা পুলিশের একটি অংশ সমস্ত ঘটনাগুলোকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে সামাজিক অবক্ষয়কে আরও তরান্বিত করছে। বর্তমান সরকারের আমলে নারী ও শিশু পাচারের ঘটনা সাংঘাতিক রূপ নিয়েছে। যেহেতু পাচারকারীদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নাবালিকা এবং আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া দুর্বল মানুষগুলো তাই সরকারের কোনও হেলদোল নেই। যদি সংখ্যার নিরিখে বিচার করা যায়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ গোটা দেশের মধ্যে এই ব্যাপারে সব থেকে শীর্ষে রয়েছে। হিউমান ট্রাফিকিং’এ ২০১৬ সালে দেশের প্রায় ৪৪ শতাংশ ঘটনা পশ্চিমবঙ্গে ঘটেছে। আর অন্যদিকে পুলিশের একটা শ্রেণী এফএইআর না নিয়ে, ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর কাছে জালি তথ্য পাঠিয়ে সরকারের অকর্মণ্যতা ঢাকার চেষ্টা করছে।

তথ্য চাপা দিয়ে প্রশাসনের ব্যর্থতা ঢাকার প্রচেষ্টা এরাজ্যে অলিখিত নিয়মে পরিণত হয়েছে, কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধীনে থাকা রাজ্যের পুলিশ নারীদের নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি অক্ষম। শুধু তাই নয়, অপরাধী যদি তৃণমূলের সমর্থক বা একটি বিশেষ সম্প্রদায়ভুক্ত হয় তাহলে তাদের নির্লজ্জভাবে আড়াল করা হচ্ছে। শাসক দলের মদতে সেই সব দুর্বৃত্তরা গোটা রাজ্যটাকে মুক্তাঞ্চল বানিয়ে বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে। স্বভাবতই নারীদের নিরাপত্তা তাই এই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে অবিদ্যমান। পুলিশমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যর্থতা সর্বজনবিদিত। তাই তাঁর যদি বিন্দুমাত্র লজ্জাবোধ বেঁচে থাকে তাহলে তিনি অনতিবিলম্বে পুলিশ মন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে সরাষ্ট্র দফতরে একজন পূর্ণ মন্ত্রী নিয়োগ করবেন।

লাশ নিয়ে রাজনীতি করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সবাই দেখেছে। কিন্তু একজন মহিলা ধর্ষিতা হলে তাঁকে বা তাঁর পরিবারকে মিথ্যেবাদী বা মাওবাদী বলে আখ্যা দেবেন এটা হয়তো অনেকেই ভাবতে পারেননি। কিন্তু যেমনটা আমি আগে বলেছি ওনার কাছে রাজনৈতিক ফায়দার সামনে সব কিছু নগণ্য। তাই তিনি তাপসী মালিকের কথা আজ ভুলে গেছেন। সিঙ্গুরে জমি আন্দোলনকে সামনে রেখে অনেক সাধারণ মানুষকে তিনি বলির পাঁঠা বানিয়েছিলেন আর নাবালিকা তাপসীকে নিজের জীবনের বিনিময়ে সেই আন্দোলনকে বৈধতা দিতে হয়েছিল। তার পরিবার হয়তো ভেবেছিল ক্ষমতায় আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের ন্যায় বিচারের ব্যবস্থা করবেন কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হয়ে তিনি সে পথ মারাননি। উনি হচ্ছেন ‘ইউজ অ্যান্ড থ্রো’ মুখ্যমন্ত্রী। যাকে যখন দরকার ব্যবহার করেন আর প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে ছুড়ে ফেলে দেন। মমতাময়ী মাননীয়ার মনে রাখা উচিত যদি তাপসী মালিকের পরিবার ন্যায় বিচার না পায় তাহলে এই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে কোনও বিচারই বৈধতা পায়না। শুধু জুন মাস থেকে চলতি সেপ্টেম্বর মাস অবধি ১২টি নারীদের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। তার মধ্যে রয়েছে নাবালিকা ধর্ষণ করে খুন, আদিবাসী মহিলাকে গণ ধর্ষণ, ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, বিজেপি কর্মীর মাথায় গুলি করার মতো সব ঘটনা।

কেন্দ্রীয় সরকার মহিলা সুরক্ষাকে নীতি নির্ধারণ, প্রশাসন পরিচালনা এবং উন্নয়নের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে মনে করে। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার নারী সুরক্ষার জন্য অনেক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মুসলিম মহিলাদের ন্যায় বিচার দিতে তিন তালাকের মতো প্রথার অবসান করেছে, মহিলা পুলিশ স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, ‘হিম্মত’ নামক অ্যাপ চালু করে মহিলাদের বাড়ির ভিতরে এবং বাইরে নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করেছে, ১২ বছরের কম বয়সী শিশুকে ধর্ষণ করার অপরাধে দোষী সাব্যস্তদের জন্য মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি, ১৬ বছরের কম বয়সীকে ধর্ষণের জন্য ন্যূনতম শাস্তি ১০ বছর থেকে বাড়িয়ে ২০ বছরের জেল করা হয়েছে। তা ছাড়া স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের সামাজিক নিরাপত্তা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনের অধিকার নিশ্চিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পে ১০০ শতাংশ টয়লেট তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই আমাদের সরকার করে ফেলেছে।

একইভাবে, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার সুফল পাওয়ার মাধ্যমে বাড়ির মহিলাদের রান্নার জন্য বনে কাঠ আনতে গিয়ে ঝুঁকির সম্মুখীন হতে আর হয় না। আমাদের রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৮১,৪২,৪৬৬টি কানেকশন উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। মেয়ে শিশুকে বাঁচানো এবং তাকে শিক্ষিত করে স্বনির্ভর নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমাদের সরকার ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’-এর মতো প্রকল্প চালু করেছে। ‘প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষিত মাতৃত্ব অভিযান’, ‘প্রধানমন্ত্রী মিশন ইন্দ্রধনুষ’, ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস প্রকল্পে’ ২০১৪ থেকে ২০২০ পর্যন্ত মোট ৪,২১,৯২৪ টি বাড়ির অনুমোদন মিলেছে এবং তার মধ্যে ২,০৯,১২৮ টি বাড়ি তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আবাস যোজনার সঙ্গে সৌভাগ্য প্রকল্প চালু করার মধ্যে দিয়ে আমাদের সরকার বাড়ির মহিলাদের নিজেকে সুরক্ষিত রাখার সঙ্গে সঙ্গে নিজের ছেলে-মেয়েদেরও সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম করেছে। মুদ্রা প্রকল্পে ২০১৯’-এর মধ্যেই ২৬,৭৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তা ছাড়া, ‘স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের মধ্য দিয়ে তপসীলি জাতি, উপজাতি ছাড়াও মহিলা উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক সাহায্যের জন্য ১০ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ‘মাতৃত্ব বন্দনা’, ‘ন্যাশনাল নিউট্রিশন মিশন’ প্রকল্পগুলোর মধ্যে দিয়ে আমাদের সরকার দেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।

আরও পড়ুন:ফের নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন জাসিন্ডা আর্ডার্ন! ইঙ্গিত সমীক্ষায়

গত সাড়ে নয় বছরে এটা প্রমাণিত সত্য যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গে নারীদের সুরুক্ষা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ। দক্ষ প্রশাসক না থাকলে আইনশৃঙ্খলার হাল কি হয় তার প্রকৃত উদাহরণ হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান অবস্থা। এটা এমনই এক অগতান্ত্রিক সরকার যাদের একমাত্র লক্ষ্য সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করে ক্ষমতায় টিকে থাকা। তৃণমূলের রাজনৈতিক অভিসন্ধি আজ সকলের কাছে স্পষ্ট তাই এদের যোগ্য জবাব দেওয়ার সময় এসে গেছে। তাই রাজ্যে যদি শান্তি প্রতিস্থাপন করতে হয় এবং মহিলাদের নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে হয় তাহলে আপনাদের এগিয়ে এসে বিজেপির হাত শক্ত করতে হবে এবং তৃণমূল নামক অকেজো, অযোগ্য সরকারকে বিদায় জানাতে হবে। বিজেপিই একমাত্র রাজনৈতিক দল যাদের কাছে দেশ আগে তাই আমাদের দলে পরিবারতন্ত্র বা নিজের স্বার্থসিদ্ধির কোনও সুযোগ নেই। আমরাই একমাত্র দল যারা পশ্চিমবঙ্গের হারিয়ে যাওয়া গরিমা ফিরিয়ে আনতে পারি এবং নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করে সোনার বাংলা তৈরির স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে পারি।

(লেখক কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী এবং রায়গঞ্জের সাংসদ)

(মতামত নিজস্ব)

Related Articles

Back to top button
Close