fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কেন্দ্রের নির্দেশে দোকান খোলা‌ নিয়ে দো-টানা

সুজয় অধিকারী: গত একমাস লকডাউনের জেরে অনেক বন্ধ থাকার পর শনিবার জামা কাপড়ের, সেলুন, বই খাতার দোকান খোলা শুরু হয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান রাজ্যের নিয়ম মেনে কিছু সময় খোলা থাকতো। তাদের ক্ষেত্রে দোকান খোলার সময় এমন কিছু পরিবর্তন আসেনি। তাও যে দোকান সকালে এক বেলা খোলা থাকতো কেন্দ্রের নির্দেশ, কাগজে বিজ্ঞাপন দেখে বিকালের দিকেও দোকান খুলতে শুরু করেছিল দক্ষিণ কলকাতার মতো কিছু এলাকায়।
পাড়া গ্রামের দোকানে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে তারা দোকান খুলে রাখতে পারবে। এমনকি ৫০ শতাংশ কর্মচারীদের নিয়েও খোলা থাকবে দোকান। তবে পৌর এলাকায় দোকান খোলার জন্য পুরসভার অনুমতির দরকার। তবে শপিং মল, বাজারের দোকান এই নিয়মের আওতায় নেই।

আরও পড়ুন: উড়তে শেখার পরেও ফিরবে তো লক্ষ্মী? ভেবেই আকুল বছর দশের দেবজ্যোতি

এদিকে শিলিগুড়ির মত কিছু এলাকায় দেখা গেছে কেন্দ্রের ঘোষণা শোনার পরেই খুলতে শুরু করেছিল অনেক দোকান। কিন্তু কখনো পুলিশ নিজে তো কখনো বাজার কমিটির দ্বারা তাদের দোকান বন্ধ করে দেয়। এলাকার দোকানদারের কথায়, কেন্দ্রের ঘোষণা কাগজে পড়েই আমরা দোকান খুলেছি, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখার পরেও প্রশাসনের তরফ থেকে দোকান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে প্রশাসনের দাবি, লকডাউন বজায় রাখতে রাজ্যের নির্দেশও মান্য করা হবে। আর রাজ্য থেকে কোনো দোকান বাজার খোলার কোন নতুন নির্দেশ আসেনি। তাই এখনই খোলা যাবে না নতুন কোনো দোকান। এমনকি লক ডাউন অমান্য করায় অপরাধে অনেক লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঘোষণার পর থেকে একাধিক এলাকায় চলতে শুরু হয়েছিল বাস, অটো, টোটোর মত যাত্রীবাহী গাড়ি কিন্তু রাজ্যের তরফ থেকে এ বিষয়ে কোনো নির্দেশ না থাকায় লকডাউন জারি রাখতে প্রশাসনের তরফ থেকে তাদের রুখে দেওয়া হয়।
তবে কোলকাতার যে সমস্ত এলাকায় দোকান খোলা ছিল, সেই এলাকায় দোকানদাররা বলেন, রাজ্য সরকারের নিয়ম মেনেই তারা দোকান খুলবে। তবে বিকালে দোকান খোলা রয়েছে আর কিছুটা কেনাকাটাও হচ্ছে। প্রশাসন এসে বন্ধ করতে বললে তারা বন্ধ করে দেবে। তবে এই মুহূর্তে সব দোকানদারদের একই দাবি, লক ডাউনের জন্য তারা দোকানের জিনিসপত্র আনতে পারছে না। এজন্য অনেক ক্রেতারা এসে আবার ফিরে যাচ্ছেন।

Related Articles

Back to top button
Close