fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ছন্দে ফিরছে শৈলশহর, মঙ্গলবার থেকেই খুলছে দার্জিলিংয়ের সব হোটেল

চাপে পড়ে সিদ্ধান্ত বদল হোটেল মালিকদের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের জেরে থমথমে শৈলশহর দার্জিলিং। যখন থেকে পাহাড়ে সিজন প্রায় পুরোদমে চলার কথা ছিল তখনই বাধ সাধল করোনা। আর তার জেরে লকডাউন। ফলে আসা যাওয়া সব বন্ধ। এই অবস্থায় আগামী ১ জুলাই থেকে পাহাড়ের সব হোটেল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় দার্জিলিং হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠন জানিয়ে দেয় ‘শাট ডাউন’ চলবে। মাথায় হাত পড়ে ১০ হাজারের বেশি হোটেল কর্মীর। এপ্রিল থেকে বেতন নেই। তার ওপর যদি এই অবস্থা হয় তাহলে দিন গুজরান কিভাবে হবে সেই চিন্তায় রাতের ঘুম উড়ে যায় হোটেল কর্মীদের। কারণ দার্জিলিং মূলত পর্যটন ব্যবসার ওপরেই দাঁড়িয়ে।

এই অবস্থায় কর্মী সংগঠন জেলাশাসকের দ্বারস্থ হন। পাশাপাশি জিটিএ’র কাছে দরবার করেন কর্মীরা। দ্রুত এক দফায় হোটেল কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা চালান জিটিএ-র চেয়ারম্যান অনীত থাপা।
সোমবার দার্জিলিংয়ের লালকুঠিতে চলে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত বদল করেন হোটেল মালিকরা। তাই মঙ্গলবার থেকেই খুলে যাচ্ছে পাহাড়ের সব হোটেল। মেটানো হবে হোটেল কর্মীদের বকেয়া বেতনও।

দার্জিলিং হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাঙ্গে শিরিং ভুটিয়া জানিয়েছেন, পাহাড়ে পর্যটন শিল্পই অর্থনীতির প্রধান। দার্জিলিংকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমরা কখনওই শাট ডাউনের কথা বলিনি। কোভিড প্রোটোকল মেনেই চালু থাকবে দার্জিলিংয়ের সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি হোটেল। কর্মীদের বকেয়াও দ্রুত মেটানো হবে। প্রতিটি হোটেলই স্যানিটাইজেশনের কাজ চলবে।

জিটিএ’র চেয়ারম্যান অনীত থাপাও জানিয়েছেন, হোটেল শাট ডাউন থাকতে পারে না। তবে কোভিড-১৯ কথা মাথায় রাখতে হবে সকলকে। কর্মীরা বকেয়া বেতনের দিকেও নজর থাকবে। বেতন না পেলে সংশ্লিষ্ট হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জিটিএ-র প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কর্মী সংগঠনের সদস্যরাও।

Related Articles

Back to top button
Close