fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

করোনার কারণে মায়ানমারে নির্বাচন পিছনোর দাবি বিরোধীদের

নায়প্যিদা(সংবাদ সংস্থা): মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের উর্দ্ধগতিতে কারণে মায়ানমারের প্রধান বিরোধীদল দ্য ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) ছাড়াও অনেক ছোট ছোট দল আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচন পিছানোর দাবি জানিয়েছে।

মহামারী করোনা সংক্রমণ বিস্তারের মাঝেই মায়ানমারে জাতীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করে নির্বাচন কমিশন। গত ১ জুলাই নির্বাচন কমিশন ঘোষণা দেয়- আগামী ৮ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে। কিন্তু, ‘করোনার বিধিনিষেধের কারণে নির্বাচনী প্রচারণা সম্ভব হচ্ছে না’ বলে নির্বাচন পিছানোর দাবি জানিয়েছে বিরোধীদলগুলি। দলগুলি আরও জানিয়েছে, গত সপ্তাহ থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হলেও ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে জারি সরকারি বিধিনিষেধের কারণে তাদের নির্বাচনী কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। আর এই সুযোগে এর ফায়দা তুলছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল অর্থাৎ অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি বা এনএলডি।

আরও পড়ুন:বাগবাজার গঙ্গার ঘাটে শহিদ বিজেপি কর্মীদের স্মৃতিতে তর্পণ অনুষ্ঠান বিজেপির

আগামী ৮ নভেম্বর মায়ানমারে যে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা, সেখানে মোট আসন সংখ্যা ১ হাজার ১৭১টি। এই আসনগুলি মূলত তিনটি স্তরের, কেন্দ্রীয় পার্লামেন্ট, আঞ্চলিক ও প্রদেশের প্রতিনিধিসভা। কেন্দ্রীয় ‘ইউনিয়ন পার্লামেন্ট’-এর আবার দুটি কক্ষ। স্থানীয়ভাবে বলা হয়, ‘আমোথা হুলুথ’ (উচ্চকক্ষ) এবং ‘প্লিথু হুলুথ’ (নিম্নকক্ষ)। মায়ানমারের এবারের নির্বাচনের মূল আকর্ষণ কেন্দ্রীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্লিথু হুলুথকে ঘিরে। এখানে আসন সংখ্যা ৪৪০টি। তবে নির্বাচন হবে ৩৩০ টি আসনে। বাকি আসন সেনাবাহিনীর জন্য সংরক্ষিত। নির্বাচন না করেই সেনাবাহিনী জনপ্রতিনিধিত্বের ১১০টি আসন নিজেদের হাতে রাখে। এটাই মায়ানমারের সাংবিধানিক রীতি।

Related Articles

Back to top button
Close