fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

নারী শিক্ষার বিরোধিতা করা ইসলাম বিরোধী, মন্তব্য ইমরান খানের

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্কঃ আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতায় আসার পর মেয়েদের স্কুলে যাওয়া আপাতত বন্ধ। তারা আর কোনওদিন পড়াশোনা করতে পারবে কিনা তাই নিয়ে এক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এমনকী মেয়েদের উচ্চ-শিক্ষাও বিশবাঁও জলে। সম্প্রতি স্কুল খোলার কথা জানালেও সেখান থেকে আপাতত বাদ দেওয়া হয়েছে মেয়েদের। শুধু ছেলেরাই এখন স্কুলে যেতে পারবে। কো-এডুকেশন তথা শ্রেণিকক্ষে ছেলেমেয়ে একসঙ্গে বসে পড়াশোনা নিষিদ্ধ হয়েছে। মাঝখানে দেওয়া হয়েছে পার্টিশন। পুরুষ বয়স্ক শিক্ষকদের কাছ থেকেই তালিম নিতে পারবে ছেলেরা। এমন অবস্থায় আফগানিস্তানে শিক্ষাব্যবস্থার হাল যে কি হতে চলেছে তা নিয়ে চিন্তিত গোটা বিশ্ব। আর সব থেকে নারকীয় অবস্থার মধ্যে রয়েছে মেয়েদের অবস্থা। মন্ত্রিসভা গঠন হলেও সেখানে মহিলাদের স্থান নেই। অথচ তালিবানের কথায়, নারীদের তারা স্থান দেবে। শীঘ্রই নাকি তাদের নাম ঘোষণা করা হবে! ২০ বছর আগের তালিবানে সঙ্গে বর্তমান তালিবানের যে পার্থক্য নেই সেটাই তারা বুঝিয়ে দিচ্ছে প্রতি পদে পদে।
এদিকে এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তোপ দাগলেন। পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেয়েদের স্কুলে যেতে না দেওয়ার বিষয়টি ইসলামের রীতিনীতির বাইরে। তালিবান যদি কিছু শর্ত পূরণ করে তাহলে পাকিস্তান তাদের স্বীকৃতি দিতে পারে। তালিবান নেতৃত্ব যাতে অন্তর্ভুক্তিমূলক হয় এবং তারা যাতে মানবাধিকার লঙ্ঘন না করে সেই আহ্বানও জানান পাক প্রধানমন্ত্রী। আফগানিস্তান যাতে সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থল না হয়ে ওঠে সে বিষয়েও তালিবানকে লক্ষ রাখতে হবে। ইমরান খান বলেন, বিশ্বাস করি তালিবানরা মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার অনুমতি দেবে। নারীদের শিক্ষা অর্জন করতে দেওয়া যাবে না এই ধারণা ইসলামি রীতিনীতির বাইরে।’

Related Articles

Back to top button
Close