fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

২১ এর মহাসংগ্ৰামে বিরোধী শিবিরকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না : তৃণমূল সুপ্রিমো

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস: করোনা এবং আমফানে চরম ক্ষতিগ্ৰস্থ রাজ্য।সবাইকে একসঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলার বার্তা দিলেও বিরোধীরা নোংরা রাজনীতির খেলায় মেতে উঠেছে,এ অন্যায় কিছুতেই বরদাস্ত নয়,মা মাটি মানুষের সরকার প্রতিটি রাজ্যবাসীর আপদে বিপদে সব সময় পাশে ছিল,আছে এবং আগামীতেও থাকবে,এই বার্তাকে সামনে রেখে তৃনমূল সুপ্রিমো গত শুক্রবার দলীয় নেতা কর্মীদের নিয়ে ভিডিও কনফারেন্স করেন। করোনা এবং আমফানে বিপর্যস্ত পরিবার গুলির পাশে থাকার আবেদন সহ রাজ্যের সার্বিক পরিকাঠামোগত পুননির্মাণে দলনেত্রী নিজেসহ দলীয় নেতা,কর্মী, সমর্থকেরা দিন রাত এক করে অসহায় পরিবার বর্গের পাশে থাকার কাজে যখন ব্যাস্ত তখন বিরোধী রাজনৈতিক দল গুলি, সাধারণ মানুষ কে বিপথগামী করে নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে।

বিষয়টি অত্যন্ত নিন্মরুচির পরিচয় সহ রাজ্যের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বড়ো প্রতিবন্ধকতা। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহ রাজ্যের মানুষকে যাতে বিরোধীরা ভূল বোঝাতে না পারে,তার ই সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা স্বরূপ এখন ই ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে, জনসংযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রচার,প্রসার সহ নানাবিদ গঠনমূলক কর্মসূচিত্ রূপায়নের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। তৃনমূল সুপ্রিমো নিজেই এই লক্ষ মাত্রাকে সামনে রেখে কর্মসূচি তৈরি করে ভিডিও বার্তায় রাজ্যের দলীয় বিধায়ক, সাংসদ, জেলা সভাপতি সহ সর্ব স্তরের নেতা-নেত্রীদের উদ্দেশ্য নির্দেশনা জারি করেন।গত ৫ ই জুন শুক্রবারের ভিজ্যুয়াল কর্মী সভাকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলগুলি কটাক্ষ করতে ছাড়েননি।

আরও পড়ুন:

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজে যখন বলছেন বিরোধী দলগুলি দেশের এই আপদকালীন সময়ে কেউ রাজনীতি করবেনা,আসুন সকলে একসঙ্গে মিলে মিশে রাজ্যের অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াই,তখন নিজেই কেন দলীয় সাংসদ, বিধায়ক, নেতাকর্মীদের নিয়ে ভিডিও কনফারেন্স মারফত এই বার্তা দিলেন।মুখে মুখ্যমন্ত্রী যাই বলুক না কেন,লক্ষ তার ২৯২১ এর বিধানসভা নির্বাচন,তা না হলে রাজ্যের পরিবহন ব্যবস্থার এহেন বেহাল দশা দেখেও হাল ধরতে পারছেন না কেন? ভাড়া বাড়িয়েও শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে এলেন? এতো দেখছি, থুতু ফেলে সেই থুতু পুনরায় গেলার মতো অবস্থা! ,এ মন্তব্য কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর।

ঘটনায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, রাজ্যের বর্তমান টালমাটাল পরিস্থিতি দেখে দিদিমণি ভয় পেয়ে গেছেন, রাজ্যের মানুষ তার উপর আস্থা রাখতে পারছেন না,এই অপশাসন মেনে নিতে চাইছে না, দ্রুত অবস্থার পরিবর্তন চাইছে। সেই আশঙ্কা, আঁচ করতে পেরেই দিদিমণি মুখে সৌজন্যের বার্তা দিলেও ভেতরে ভেতরে নির্বাচনী রনকৌশল তৈরি করে কর্মীদের মাধ্যমে ময়দানে নেমে পড়ার বার্তা দিচ্ছেন।এ জন্যই এত তাড়াতাড়ি দলীয় নেতা কর্মীদের নিয়ে জরুরি ভিত্তিক এই ভার্চুয়াল সভা। দলের এক প্রভাবশালী বিধায়কের কথায়,২০২১ এর মহাসংগ্ৰামে বিরোধী শিবিরকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়া হবে না,সেই লক্ষ্য মাত্রাকে সামনে রেখে নেত্রী আমাদেরকে এই সভা থেকে গাইডলাইন তৈরি করে দিলেন।

Related Articles

Back to top button
Close