fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গব্লগহেডলাইন

সাধারণ মানুষই বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও অভিযান সফল করবেন

দিলীপ ঘোষ: যারা ক্ষমতা দখল করতে বা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য মানুষ খুন করতে পারে তারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাজ্য শাসন করবে এটা শুভবুদ্ধির কোনও মানুষ বিশ্বাস করবেন না। তবে তৃণমূল নামক দলটি শুধুমাত্র গদি আঁকড়ে থাকার লোভে গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থাটাকেই যে লাটে তুলে দেবে সেকথা এই স্বৈরাচারী সরকার গত ৯ বছরে বহুবার প্রমাণ করেছে।
স্বাধীনতার সময় পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্র ছিল কিন্তু গত ৭ দশকের অবক্ষয় আমাদের রাজ্যকে একেবারে পিছনের সারিতে ফেলে দিয়েছে। চাকরির হালও একই রকম তাই আমাদের এখানকার শিক্ষিত যুবকদের বাধ্য হয়ে কাজের সন্ধানে বিজেপি শাসিত রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে। কলকাতাসহ অন্যান্য শহরে পাড়ায় পাড়ায় বয়স্ক দম্পতিরা তাদের সন্তানদের অনুপস্থিতিতে নিরাপত্তাহীন রাজ্যে নিজেদের প্রাণ হাতে করে কোন রকমে বেঁচে আছেন! এর জন্য কে দায়ী তা যাচাই করার সময় এসেছে। বহু বছর ধরে দুর্বল অর্থনীতির কারণে রাজ্যে বেকারত্ব এবং যোগ্য কাজের সুযোগের অভাব দেখা দিয়েছে।

বর্তমান সরকারের আমলে আমাদের রাজ্যে অসংগঠিত ক্ষেত্রে ৩২ শতাংশেরও উপর কাজ বেড়েছে যা জাতীয় গড় ২৫ শতাংশের তুলনায় অনেক বেশি। পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্ব, কাটমানি, দুর্নীতি, তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ, নারী অসু’রক্ষা, শিল্পের অভাব এসব নতুন কিছু নয় তা বলে একটা সরকার তাদের দলের সমর্থকদের অবৈধভাবে সব কিছু করার লাইসেন্স দিয়ে দেবে এটা কেমন গণতন্ত্র? লুটপাট ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রকে বেআইনিভাবে দলীয় কাজে লাগিয়ে, গণতন্ত্রের সমস্ত দিকগুলোকে এক এক করে ধ্বংস করে নিজেদের ক্ষমতাসীন করে রাখাটাই যদি একটা রাজনৈতিক দলের একমাত্র উদ্দেশ্য হয় তাহলে সেখানে আর যাই হোক সাধারণ মানুষের কোন সাংবিধানিক অধিকার থাকতে পারে না এটা বলাই বাহুল্য। যে সমাজ নির্মাণের কথা মাথায় রেখে আমাদের দেশের মানুষ স্বাধীনতা আন্দোলন করেছিলেন তাদের মধ্যে যদি কেউ আজকের পশ্চিমবঙ্গের হাল দেখতেন তাহলে তিনি বাকরুদ্ধ হয়ে যেতেন একথা সহজেই অনুমেয়।

আরও পড়ুন:রাজ্যে ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ৩০৯১, মৃত ৫৭, সুস্থ ২৯৯

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে নতুন দল গড়েছিলেন কারণ সেখানে নাকি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সুবিচার পাননি, সঠিক গণতান্ত্রিক পরিবেশের খুব অভাব ছিল। কিন্তু তিনি যেদিন কংগ্রেসীদের ভাঙিয়ে নিজের দল গঠন করেছিলেন এবং পরবর্তীকালে ক্ষমতায় আসার পর ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিরোধী দলের কর্মীদের নিজের পার্টির মেম্বার বানিয়েছিলেন তখন কোন গণতন্ত্রের কথা মাথায় রেখে সেই কাজ করেছিলেন? যে কংগ্রেসের গর্ভ থেকে তৃণমূলের জন্ম সেই দলকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিলে তিলে শেষ করেছেন। তাই তাঁর মুখে আর যাই হোক গণতন্ত্রের কথা মানায় না। তৃণমূল নেত্রী এটাও বার বার দাবি করেন যে, সিপিএমের আমলে এই রাজ্যে গণতন্ত্র শেষ হয়ে গেছিল তাই তিনি দায়িত্ব নিয়ে এই রাজ্যে গণতন্ত্রের পুণঃপ্রতিষ্ঠা করবেন! এই রাজ্যে গণতন্ত্র নামক বস্তুটির সন্ধান যদি কোনও সহৃদয় মানুষ পান তাহলে দয়া করে আমায় একবার জানাবেন! একবার দেখে আসব।

অতীতে এরাজ্যের সমস্ত শাসকদল চেয়েছে একটা বিরোধীশূন্য সরকার গঠন করতে। বিপক্ষ দলের জন্য কোন গণতান্ত্রিক জায়গা তো কেউ তৈরি করতে সাহায্য করেই নি, বরং উল্টে রাজনৈতিক হানাহানি, সন্ত্রাস ও গুপ্ত হত্যা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গে পরিণত হয়েছে। আর তৃণমূল, যারা সারাদিন মুখে নীতির বুলি আওড়ায়, গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার দাবি নিয়ে ২০১১ সালে সরকার গঠন করেছিল, তারা এই হিংসার সংস্কৃতি দূর করতে কি উদ্যোগ নিয়েছে? ৯ বছর রাজ্য শাসন করার পরও মা, মাটি মানুষের সরকারের প্রধান আজ আপনাকে, আমাকে মানুষের মর্যাদা দিতে অস্বীকার করে। যারা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসে তাদের ন্যায্য অধিকারকে খর্ব করে শুধুমাত্র নিজের গদি বাঁচানোর চেষ্টায় লিপ্ত থাকে সেই সরকার আর যাই হোক সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারে না।

গত ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক সন্ত্রাস এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে প্রথমবার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে নির্বাচন কমিশন শেষ পর্বে প্রচার কমাতে সংবিধানের ৩২২ অনুচ্ছেদটি প্রয়োগ করতে বাধ্য হয়েছিল। এখানেই শেষ নয়, শুধুমাত্র প্রকাশ্যে বিজেপি করার অপরাধে আমাদের দলের প্রায় শতাধিক কর্মীকে খুন হতে হয়েছে। ওঁদের মৃত শরীরের উপর মালা চড়াতে গিয়ে যখন দেখি সেই কর্মীর পরিবার তাঁর অকালপ্রয়াণে হাহাকার করছে আমার বুক ফেটে যায়, চোখ দিয়ে জল নেমে আসে। কিন্তু নিজেকে সংযত রাখি কারণ এই অগণতান্ত্রিক সরকারকে চিরবিদায় জানাতে হলে নিজেদের মনোবল অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে এবং আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করে, মানুষের মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলে একটা রাজ্যব্যাপী প্রতিরোধের ব্যবস্থা করতে হবে।

আমাদের রাজ্যের নারীদের নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। তৃণমূলের শাসনকালে যে পরিমাণ ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা এখানে ঘটেছে তা চোখে আঙুল দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের আইন শৃঙ্খলার হাল দেখিয়ে দেয়। এটা খুবই দুর্ভাগ্যের যে, আমাদের রাজ্যে একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও গত কয়েকদিনের মধ্যে হয়ে যাওয়া ধর্ষণের ঘটনার উপর তিনি সরকারিভাবে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ তো করেনই নি, সামান্য সৌজন্য দেখিয়ে দুঃখ প্রকাশ অবধি করার প্রয়োজন বোধ করেন নি| পশ্চিমবঙ্গে নারী সুরক্ষা একবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে তাই নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্ষিতা নারীদের রেট বেঁধে দিয়েছেন যাতে তারা আর ন্যায় বিচারের আশায় বসে থেকে সময় নষ্ট না করে।

অতীতে কংগ্রেস বা বাম সরকারের আমলে আমরা দেখেছি কিভাবে রাজনৈতিক লাভের জন্য বিরোধীদের উপর আক্রমণ নামিয়ে আনা হত কিন্তু তৃণমূলের রাজনৈতিক সন্ত্রাস আমাদের প্রাণের পশ্চিমবঙ্গকে কয়েক হাজার মাইল পিছিয়ে দিয়েছে। কলকারখানা তৈরি থেকে শুরু করে আধুনিক স্বাস্থ্য পরিষেবা, উৎকর্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা হোক বা মহিলাদের নিরাপত্তা, সরকারি চাকরি হোক বা সাধারণ মানুষের সামাজিক সুরক্ষা… কোনটারই ছিটেফোঁটা এরাজ্যে দেখা যায় না। আর একদল হায়না রূপী নেতা, নেত্রী শুধুমাত্র নিজেদের আখের গোছানোর লক্ষ্যে রাজ্যের সর্বনাশ করে দিয়েছে। মানুষের সার্বভৌমত্ব আছেই বলেই রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে। আর মানুষের সার্বভৌমত্ব হল স্বাধীনভাবে ভোট প্রদানের অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকারের মাধ্যমে সরকারের কাছে জবাবদিহি চাওয়া। কিন্তু বর্তমান সরকার কি আপনাদের সেই অধিকার নিশ্চিত করেছে?

আরও পড়ুন:২১ সেপ্টেম্বর শুরু স্কুলের আংশিক পঠনপাঠন, জেনে নিন কি কি নিয়ম মানতে হবে

ক্ষমতায় আসার পরেই বিরোধীশূন্য বিধানসভা গঠনের লক্ষ্যে তৃণমূল নেত্রী এক অভিনব পন্থা অবলম্বন করেছিলেন। পুলিশ, প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে বিরোধী দলের বিধায়কদের নিজের বাসভবনে ডেকে পাঠিয়ে গোপন ডিল করে তাঁদের দলে টেনে নিতেন। ২০১৬ সালে তিনি ২১১টি আসন নিয়ে দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করার পরেও কিসের প্রয়োজনে বিরোধী দলের এমএলএকে নিজের দলের অন্তর্ভুক্ত করে বা তাঁকে রাজনৈতিক ভাবে কোণঠাসা করে, স্পিকারের সামনেই সংবিধানকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে গণতন্ত্রের গলা টিপে হত্যা করেছেন? তৃণমূল নেত্রীর অপরিসীম লোভ এবং নিজেকে একটা তূরীও জায়গায় নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা তাঁর প্রতি মানুষের মনে একপ্রকার রাজনৈতিক ঘৃণার উদ্রেক করেছে যার বদলা নিতে তাঁর দল সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করেছে|

দুর্নীতি এই সরকারের আমলে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই নিজেকে সততার প্রতীক বলে দাবি করুন না কেন তিনি দুর্নীতি দমনে কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। বরং ২০১৭ সালে তৃণমূল পরিচালিত সরকার দ্বারা পাস করা লোকায়ুক্ত (সংশোধনী) আইন মুখ্যমন্ত্রীকে যাচাইয়ের আওতার বাইরে রেখে প্রমাণ করেছে যার বিরুদ্ধে ক্রমাগত দুর্নীতিবাজদের সমর্থন করার অভিযোগ আছে তিনি আর যাই হোক তাঁর স্নেহধন্যদের বেআইনি কাজ বন্ধ করা নিয়ে কোনও উদ্যোগ নেবেন না। তাই তাঁর ভাই, ভাইপোরা নির্দ্বিধায় জনগণের হকের টাকা লুঠ করে নিজের ব্যাঙ্ক ব্যালান্স বাড়াচ্ছেন আর সরকার চোখে ঠুলি পরে বসে আছে।

রাজনৈতিক হিংসার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ ধারাবাহিক ভাবে অন্যান্য রাজ্যগুলির শীর্ষে কিন্তু লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ফল ভালো করার দরুণ ক্ষমতা হারানোর চিন্তায় শাসক দলের ঘুম উড়েছে আর তাই তারা ঘুরে দাঁড়ানোর মরিয়া চেষ্টা করছে। তৃণমূল ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য তাদের দলে থাকা সমাজবিরোধীদের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিচ্ছে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটা দল শুধুমাত্র ক্ষমতার লোভে দুর্বৃত্যায়নকে একটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে তাই আজ সমাজবিরোধীরা দার্জিলিং থেকে মেদিনীপুর পর্যন্ত সব জায়গায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রাজনৈতিক হিংসাকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর ফল স্বরূপ ভোটকেন্দ্র দখল করা থেকে শুরু করে ভোটকেন্দ্রগুলিতে বোমা ফেলা এবং ব্যালট বাক্স জ্বালানো পর্যন্ত হয়েছিল।

২০১৮ সালে এই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিনে ১৩ জন মানুষ নিহত হয়েছিলেন। এটা ভোট ডাকাতি করে বানানো একটা সরকার। যদিও ভোট লুট পশ্চিমবঙ্গে কোন নতুন কালচার নয় কিন্তু শাসক দলের সমর্থকদের ভোটও অন্য কেউ দিয়ে দেবে এমন গণতন্ত্রের নজির সারা বিশ্বে কোথাও নেই! যে দল আজ সরকারে আসীন তারা আপনার, আমার ন্যূনতম গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে দেয় না। এদের আস্তাকুঁড়েতে ছুঁড়ে ফেলার সময় এসে গেছে এবং সেই কাজ আপনাদেরই সঙ্গে নিয়ে বিজেপি করবে।

আরও পড়ুন:অবশেষে ৩দিন পর পুলিশের জালে ধরা পড়ল আনন্দপুর কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত অভিষেক পাণ্ডা

গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গে জনজীবনের অবিশ্বাস্য অবনতি হয়েছে। রাজ্যে ক্ষমতাসীন সরকার যখন অপরাধকে একটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয় তখন সেখানে আইনের শাসন বলে কিছু অবশিষ্ট থাকে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও নির্লজ্জভাবে পুলিশের একটা অংশকে নিজের দলের কাজে ব্যবহার করে সম্পূর্ণ অকেজো করে রেখেছেন। তাই অপরাধীরা দলের ছত্রছায়ায় থাকার দরুণ ছাড় পেয়ে যায় আর ভিকটিমের পরিবার ন্যায় বিচারের আশায় বসে থাকে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না। মমতা ব্যানার্জির আমলে পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের নামে প্রতারণা হয়েছে আর যদি এর থেকে আপনাদের মুক্তি পেতে হয় তাহলে “আসল পরিবর্তনের” ডাক দিতে হবে। বিজেপিই একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা এই রাজ্যে আসল পরিবর্তন আনতে পারে, তাই আমরা আপনাদের সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করি।

২০২১’এর বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ কি রায় দেবে সেই চিন্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে, তাই তিনি পরিকল্পনামাফিক দাগি অপরাধীদের জেল থেকে ছাড়িয়ে দলের কাজ লাগানোর চেষ্টা নির্লজ্জভাবে করছেন। জনগণ সব জানে আর তারা ঠিক করেই ফেলেছে তৃণমূল সরকারকে চির বিদায় জানিয়ে বিজেপিকে রাজ্য পরিচালনার ভার তুলে দেবেন।

(লেখক রাজ্য বিজেপি সভাপতি ও মেদিনীপুরের সাংসদ )

(মতামত ব্যক্তিগত)

Related Articles

Back to top button
Close