fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

‘যে দেশ ‘সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর’, তাদের মানবাধিকার নিয়ে মতামত রাখার অধিকার নেই’ ইসলামাবাদকে তুলোধোনা ভারতের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:   সন্ত্রাসবাদ ও সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে ফের রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে তুলোধোনা করল ভারত। মঙ্গলবার, মানবাধিকার পরিষদে পড়শি দেশটিকে সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর বলেও তোপ দাগে নয়াদিল্লি। পাকিস্তানে সংখ্য়ালঘু সম্প্রদায় কীভাবে অত্যাচারিত হচ্ছে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে তার একটি চিত্রখণ্ড তুলে ধরল ভারত।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৪৫তম অধিবেশনে পাকিস্তান, তুরস্ক এবং অর্গানাইজেশন অব ইসালামিক কর্পোরেশনকে একহাত নিল ভারত। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের উদ্দেশে নয়া দিল্লির তোপ, রাষ্ট্রসঙ্ঘের চিহ্নিত করা আন্তর্জাতিক জঙ্গিদের আর্থিক সাহায্য কর হচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরে ১০ হাজার জঙ্গি মোতায়েন করে গর্ব অনুভব করছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। পাকিস্তানে সংখ্যালঘু জাতি এবং ধর্মের মানুষের উপর অত্যাচার, অপহরণ এবং ধর্মান্তকরণ নিত্য ঘটনা।

ভারতের প্রতিনিধি বলেন, “সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রবিন্দু পাকিস্তান । ওই দেশে নিপীড়িত হচ্ছেন হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টানরা। দেশটিতে সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার বলে কিছু নেই। জম্মু ও কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগ পাকিস্তান করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাছাড়া, যে দেশ নিজের সংখ্যালঘুদের অধিকার কেড়ে নেয়, তাদের ভারত কেন, কোনও দেশকেই উপদেশ দেওয়ার অধিকার নেই। ভারতীয় কূটনীতিকের অভিযোগ, বালুচিস্তান, খাইবার পাখতুনখোয়া এবং সিন্ধে এমন কোনও দিন নেই সেখানকার বাসিন্দাদের অপহরণ করা হচ্ছে। ধর্মের অবমাননা আইন, মেয়েদের উপর অত্যাচার, জোর করে ধর্ম পরিবর্তন, গুপ্তহত্যা, গোষ্ঠী সংঘর্ষের ও ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্যকে হাতিয়ার করে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে পাকিস্তান। হাজার হাজার হিন্দু ও শিখ নারীকে অপহরণ করে ধর্ম পরিবর্তন করা হয়েছে।”

আরও পড়ুন: বাংলায় ৮ হাজার পুরোহিত কি তৃণমূলের ক্যাডার! প্রশ্ন ভিএইচপির

নয়াদিল্লির কূটনীতিকদের মতে, চিন ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক সখ্য বরাবরই ছিল। কিন্তু ইদানীং এই দুই প্রতিবেশি রাষ্ট্রই পালা করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতকে কোণঠাসা করতে তত্‍পর। পাল্টা অক্ষ রচনায় সক্রিয় নয়াদিল্লিও। মঙ্গলবারের বৈঠকে নয়াদিল্লির প্রতিনিধি বলেন, সমস্তরকম আন্তর্জাতিক মঞ্চ সন্ত্রাসের প্রশ্নে পাকিস্তানের ভূমিকার সমালোচনা করেছে। সন্ত্রাসবাদ দমনে তারা যে কোনও বিশ্বাসযোগ্য ও সদর্থক পদক্ষেপ করেনি তা ঘোর বাস্তব। রাষ্ট্রপুঞ্জের বৈঠকে ভারত আরও জানিয়েছে যে পাক অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখে বাইরের লোক ঢোকাচ্ছে ইসালামাবাদ। তার ফলে সেখানে কাশ্মীরিরাই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছেন।

উল্লেখ্য, পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে নিজেদের ম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনে (এসসিও)-র জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বিষয়ক বৈঠকে নয়া রাজনৈতিক ম্যাপ তুলে ধরে পাকিস্তান। ইমরান খানের এ ধরনের প্ররোচনামূলক পদক্ষেপে তীব্র নিন্দা জানায় ভারত। প্রতিবাদে বৈঠক বাতিল করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল-সহ অন্যান্য সদস্যরা। রাশিয়াও ভারতে এই প্রতিবাদকে সমর্থন জানায় বলে  সূত্রে খবর।

Related Articles

Back to top button
Close