fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

উস্কে দিল অবিভক্ত ভারতের স্মৃতি! বন্দেমাতরম সুরে চিনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পাকিস্তান

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  চিনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সামিল পাকিস্তানিরা। এবং ভারতীয়দের সঙ্গে সুর মিলিয়ে ভারতের   গান পাকিস্তানি গাইছে।  এটা একটি দুর্লভ ঘটনা  অবিভক্ত ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বন্দেমাতরম এনসুরে এভাবেেে প্রতিবাদে সামিল অত সে সময়েে ভারতবাসী। তখন পাকিস্তান বাংলাদেশের কোন অস্তিত্ব্ব্ব ছিল না। শুুুুুধু একটাই পরিচয় ছিল ভারতবাসী। সেই দৃশ্যই এবার চীন ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ফের দেখা গেলো।  এবং সেটাও বিলেতের মাটিতেই। রবিবার লন্ডনে ঠিক এমনটাই ঘটে গেলো।

চিনের দূতাবাসের বাইরে একটি বিক্ষোভ প্রদর্শনে কিছু পাকিস্তানি নাগরিক ভারতীয় নাগরিকদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চিনের বিরোধিতার সাথে সাথে ভারতের রাষ্ট্রীয় গান বন্দেমাতরমও  গাইল। এই বিক্ষোভ প্রদর্শনের আয়োজন চিনের বিস্তারবাদি নীতির বিরুদ্ধে প্রবাসী ভারতীয়দের দ্বারা করা হয়েছিল। আর এই বিক্ষোভ প্রদর্শনে পাকিস্তানি মানবাধিকার কার্যকরতা আরিফ আজকিয়াও অংশ নেন। উনি নিজের দেশের বর্তমান পরিস্থিতি আর প্রকৃত সত্য তুলে ধরায় আগাগোড়াই বিশ্বাসী। এর সাথে সাথে উনি ভারতীয়দের সাথে একসুরে চিন মুর্দাবাদ স্লোগানও দেন।

আজকিয়া বলেন, ‘আজ জীবনে প্রথমবার বন্দেমাতরম গাইলাম।” ওনার সাথে আমজাদ আয়ুব মীর্জাও ছিলেন, যিনি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দা। তিনি পাকিস্তান সরকার দ্বারা পাক অধিকৃত কাশ্মীরে মানুষের উপর করা অত্যাচার আর অন্যায় বিরুদ্ধে আগাগোড়াই মুখর হন। এছাড়াও কয়েকজন করাচি এবং ইরানের মানুষও ছিলেন। তাঁরাও এই বিক্ষোভ প্রদর্শনে অংশ নেনে। এরা সবাই চিন দ্বারা তাদের ব্যাপারে নাক গলানো নিয়ে তিতিবিিরক্ত।

আজকিয়া বলেন, ‘আজ জীবনে প্রথমবার বন্দেমাতরম গাইলাম।” ওনার সাথে আমজাদ আয়ুব মীর্জাও ছিলেন, যিনি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দা। তিনি পাকিস্তান সরকার দ্বারা পাক অধিকৃত কাশ্মীরে মানুষের উপর করা অত্যাচার আর অন্যায় বিরুদ্ধে আগাগোড়াই মুখর হন। এছাড়াও কয়েকজন করাচি এবং ইরানের মানুষও ছিলেন। তাঁরাও এই বিক্ষোভ প্রদর্শনে অংশ নেনে। এরা সবাই চিন দ্বারা তাদের ব্যাপারে নাক গলানো নিয়ে তিতিবিরক্ত।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের গিলগিট বালটিস্তানে সিপিসি প্রকল্পের নাম করে চিন বহুদিন ধরে ওই এলাকায় সামরিক তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের। তাদের অভিযোগ চিনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পাকসেনা ও জঙ্গিরাও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এলাকাগুলিতে এবং যার ফলে স্থানীয়দের জীবনযাত্রায় প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়েছে  প্রতিনিয়ত।

Related Articles

Back to top button
Close