fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আতঙ্কিত জেলাবাসী, ট্রেন থেকে যেখানে সেখানে নেমে যাচ্ছেন শ্রমিকরা

সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সাঁইথিয়া : দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনগুলো জেলায় ঢুকতেই করোনা পজিটিভের সংখ্যা একশো ছাড়িয়ে গেল। এতো গেল যাদের স্টেশান থেকে গাড়ী তে করে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নিয়ে গিয়ে সোয়াব টেস্ট করা সম্ভব হয়েছে তাদের পরিসংখ্যান। কিন্তু জেলাবাসীর আশঙ্কার কারন লুকিয়ে রয়েছে অন্য জায়গায়।

 

 

ট্রেনগুলো জেলার সীমানা পেরোতেই বহু যাত্রী মাঝপথে চেন টেনে বা স্টেশানে ঢোকার আগে সিগন্যাল না পেয়ে বাইরে দাঁড়ালেই নেমে পড়ছে যত্রতত্র। এটাই এখন ভীষন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে জেলাবাসীর কাছে। সাঁইথিয়া স্টেশনের কাছাকাছি থাকেন এমন একজন নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক গৃহবধু চোখেমুখে উদ্বেগের সঙ্গে জানালেন যে গত কয়েকদিন ধরে তিনি তার বাড়ির ছাদ থেকে লক্ষ্য করছেন সিগন্যাল না পেয়ে স্টেশানের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা বা ধীরগতিতে স্টেশানে ট্রেন ঢোকার মুখে শ্রমিকেরা ট্রেন থেকে লাফিয়ে নেমে পাশেই শহরের রাস্তাধরে দৌড়াচ্ছে।

 

 

আরও এক প্রত্যক্ষদর্শী জানালেন, এই সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে যদি কেউ করোনা রোগের ভাইরাস বহন করে থাকে এবং তারা সাধারণ মানুষের মতোই বাজার হাটে ঘুরে বেড়ায় তাহলে কিছুদিন পর আমাদের কি অবস্হার মধ্য পরতে হবে তা ভেবে শিহরিত হচ্ছি। এমনিতে করোনা রোগী কিছু ক্ষেত্রে বোঝার কোন উপায়ই নেই আলাদা করে। তাদের চিকিৎসকের পরিভাষায় এসিম্পটোমেটিক বলা হচ্ছে ।পরীক্ষা না করলে বোঝায় যায় না যে দীর্ঘদিন এরা করোনা রোগের ভাইরাস বহন করে চলেছে শরীরে।

 

 

সাঁইথিয়ার বাসিন্দা ভাস্করজ্যোতি মজুমদার, রুদ্রনগরের গোপাল ঘোষ, কুন্ডলার বিকাশ মন্ডল বলেন, আমাদের জীবিকার প্রয়োজনে ঘরের বাইরে প্রতিদিন বারদুয়েক বেরোতেই হয়, তাই এরকম পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেন বা বাস থেকে নেমে ছুটে পালিয়ে যেখানে সেখানে যাওয়াতে যথেষ্ট দুশ্চিন্তা মধ্যে রাখে আমাদের। কারন রোগটা যে ভয়ানক সংক্রামক সেটা কারও অজানা নয়।

Related Articles

Back to top button
Close