fbpx
হেডলাইন

কোলাঘাট সহ বিভিন্ন স্থানে বেসরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফি নিয়ে অভিভাবকদের ক্ষোভ বাড়ছে

বাবলু ব্যানার্জি, কোলাঘাট: কোলাঘাট ব্লক সহ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠানগুলোতে অভিভাবকদের ক্ষোভ বাড়ছে স্কুলের ফী নিয়ে। অভিভাবকদের অভিযোগ বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি বর্তমানে এই সংকটময় সময়ের মধ্যে প্রতিমাসে তাদের ধার্য্য টাকা মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলছে। গ্রাম গঞ্জের এমন অনেক স্কুল আছে দূরাভাষ এর মাধ্যমে অভিবাবকদের কাছে টাকা মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলছে। অভিযোগ আসছে খোদ সি আই এস সি ই অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান মহিষাদলের দিশারী পাবলিক স্কুলের বিরুদ্ধেও।

 

এই স্কুল সুনামের সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাদানের অঙ্গীকারবদ্ধ হলেও বর্তমান সময়ে এই করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়ে উদ্বেগ ও আতঙ্কে রয়েছে অভিবাবকরা।এমনই পরিস্থিতিতেই স্কুলের ফী বৃদ্ধি করেছে। এই সময় অর্থনৈতিক সংকট প্রতিটি অভিভাবকদের মধ্যেই রয়েছে।। ফী বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষের নিকট সামনে আসতেই অভিভাবকরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত বে সরকারি স্কুলগুলিতে ফী নেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধ করেছে,এই সংকটময় অবস্থার কথা ভেবে।দেখা যাচ্ছে স্কুল কর্তৃপক্ষ এসএমএস বা ই মেল করে বর্ধিত ফী অনলাইনে স্কুলের একাউন্টে জমা দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের বলছে। ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ভর্তির সময় যে টাকা নেওয়া হয়েছিল সেই সময় বলে দেওয়া হয় প্রতি বছর নতুন ক্লাসে প্রমোশন এর সময় ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবক কাছ থেকে আর নতুন কোন ভর্তি ফী বা অ্যানুয়াল ফী লাগবে না।

 

বর্তমান শিক্ষাবর্ষে 20/21 কর্তৃপক্ষ পূর্বের কথাকে মান্যতা না দিয়েই পুনরায় re admissionএর জন্য মাথাপিছু বারো হাজার টাকা করে অ্যানুয়াল ফী অভিভাবকদের কাছ থেকে চাইছে। অভিভাবকদের প্রশ্ন re admision এর কথা আসছে কেন। অভিভাবকরা ফী সংক্রান্ত বিষয় ছাড়াও স্কুলের আরো বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিষয়গুলি সামনে নিয়ে এসেছেন। গৌরাঙ্গ সামন্ত, মন্টু কুমার বেরা, দীপঙ্কর নাথ সহ অনেক অভিভাবকদেরই বক্তব্য এই স্কুলে অনেক চিন্তাভাবনা করে ছেলেমেয়েদের ভর্তি করেছিলাম। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে একটার পর একটা স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যে নির্দেশ আসছে তাতে আমরা বিচলিত এবং শংকিত। অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বিষয়টি জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার সহ শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিক কে জানানো হয়েছে। তবে ইতিমধ্যে জেলার ডি আই হলদিয়া সার্কেলের এ আই কে তদন্ত করে তার রিপোর্ট চেয়েছেন।
স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন পরিচালন কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিষয়গুলি অভিভাবকদের বলা হয়েছে। স্কুলের সিদ্ধান্ত সবটাই নির্ভর করছে স্কুল কর্তৃপক্ষের উপর।

Related Articles

Back to top button
Close