fbpx
কলকাতাহেডলাইন

রাজ্যপালের কাছে ভুল তথ্য পরিবেশন না করার আর্জি পার্থর

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায় কলকাতা:  ‘ভুল তথ্য পরিবেশন করে বিভ্রান্তি ছড়াবেন না।’ তোপ দাগলেন তৃণমূলের মহাসচীব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শনিবার সোশাল মিডিয়াতে এক বার্তায় তিনি রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের কড়া সমালোচনা করেন। এক ই সুরে নাম না করে রাজ্যপালের সমালোচনা করেন পুর মন্ত্রী তথা পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম।

গত কয়েকদিন আগে আদি গড়িয়া মহাশ্মশানে ১৪ টি বেওয়ারিশ লাশ পোড়ানো নিয়ে বিতর্ক দানা বাধে। স্থানীয় মানুষ কভিডে আক্রান্ত লাশ বলে পোড়াতে বাধা দেয়। এরপরই ঘটনা তীব্র আকার ধারণ করে। সোশাল মিডিয়াতেও সেই ভিডিও ভাইরাল করা হয়। তারপরই রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর টুইট করে এর তীব্র নিন্দা জানান। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন পার্থ চট্টো পাধ্যায় পালটা টুইট করেন কেএমসি কমিশনার ও এনআরএস হাসপাতাল সুপারের অর্ডার কপি পোস্ট করে। তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার লাগাতার মানুষের হীতে কাজ করছে। মাননীয় রাজ্যপালের কাছ থেকে আমরা প্রত্যাশা মিথ্যা সংবাদ এবং ভুল তথ্য না ছড়িয়ে আমাদের সহায়তা করবেন।’

পাশাপাশি কেএমসি তরফে প্রকাশিত অর্ডারের কপিতে বলা হয় ধাপা শ্মশানে কভিড আক্রান্তদের মৃত দেহ দাহ করার জন্য ১৪ টি বেওয়ারিশ লাশ পোড়ানোর জন্য আদি গড়িয়া মহা শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে এনআরএস হাসপাতালের সুপার শৈবাল কুমার মুখোপাধ্যায় তার অর্ডার কপিতে স্পষ্ট ভাবে জানান, কলকাতার বিভিন্ন পুলিশ স্টেশন থেকে আসা ১৪ টি বেওয়ারিশ লাশ দাহ করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কে এম সি কে দায়িত্ব দেয়।

আরও পড়ুন: গড়িয়া শ্মশান ইস্যুতে ধনকড়কে পালটা জবাব স্বরাষ্ট্রদফতরের

এদিন ফিরহাদ হাকিম সোশাল মিডিয়াতে বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রতিনিয়ত মানুষের স্বার্থে কাজ করছে। কিন্তু কিছু কিছু মানুষ ভুল তথ্য দেওয়ার কাজ করছে।’ সোশাল মিডিয়াতে বেওয়ারিশ লাশের সৎকার ঘিরে গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই চাঞ্চল্য ছড়ায় গড়িয়া আদি মহাশ্মশান এলাকায়। গতকাল ফেসবুকে এক ভিডিও ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে একজন কর্মী আঁকশি দিয়ে টেনে পচা-গলা মৃতদেহ গুলিকে গাড়িতে তুলছেন। সেই গাড়িটি গায়ে কলকাতা পুরসভা লেখা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ প্রায় ১৪- ১৫ টি মৃত দেহ ওই শ্মশানে গতকাল দুপুরে নিয়ে আসা হয়েছিল দাহ করার জন্য। কিন্তু দেহ গুলিকে করো না আক্রান্ত হয়ে মৃতের সন্দেহে স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। বাধ্য হয়ে পুনরায় সেই দেহগুলি কে গাড়িতে করে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

Related Articles

Back to top button
Close