fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

রোগী মৃত্যু নিয়ে ফের তথ্য বিভ্রান্তি, প্রশ্নের মুখে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

অভীক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: রোগী মারা যাওয়ার পরেও হাসপাতাল থেকে ঠিকঠাক ভাবে জানানো হচ্ছে না, এমন অভিযোগ উঠেছিল আগেও। এর আগেও হাসপাতালে এসে রোগীর পরিবার জানতে পারে, তাদের রোগীর কয়েক দিন আগে মৃত্যু হওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে সুস্থ বলে গিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অনেকটা যেন সেই ধরনের ঘটনারই পুনরাবৃত্তি হল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে কৃষ্ণদাস সূত্রধরের মৃত্যুর ঘটনায়। পরিবারের অভিযোগ, ৫৫ বছরের ওই রোগীর কয়েকদিন আগে মৃত্যু হলেও কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ দাবি করেছিল, রোগী সিসিইউতে আছেন।

হাসপাতাল সূত্রের খবর, করোনা আক্রান্ত ওই রোগী সেরিব্রাল অ্যাটাক হওয়ায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে সিসিইউতে তাকে রাখা হয়। পরিবারের অভিযোগ, এরপর যখনই তাঁরা চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনিও তাঁদেরকে ওই একই কথা জানিয়েছেন। এমনকি হেলপ্লাইন থেকেও খোঁজ নিলে রোগী সিসিইউতে আছে বলেই বলা হচ্ছিল। অথচ গত সোমবার থেকে রোগীর সঙ্গে আর যোগাযোগ করে উঠতে পারেননি তাঁর পরিবার।

এদিন তাঁরা চাপাচাপি করার পর জানতে পারেন, রোগী মারা গিয়েছে জেনারেল বেডেই। হাসপাতাল দাবি করে, এদিন সকাল ১১টা নাগাদ তিনি মারা গিয়েছেন। তাঁদের প্রশ্ন, জেনারেল বেডেই যদি মারা গিয়ে থাকেন তাহলে তাঁকে কবে আর কখন সিসিইউতে রাখা হল! আর রাখা যদি নাই হয় তাহলে তাঁদের কেন বার বার বলা হল যে রোগী সিসিইউতে র‍য়েছেন! স্বামীকে হার্টের ওষুধও ঠিকঠাক দেওয়া হত না বলে অভিযোগ কৃষ্ণদাসবাবুর স্ত্রী দুর্গা দাসের।

কৃষ্ণদাসবাবুর ছেলে সুজিত দাস জানান, ‘অসমর্থিত সূত্রে সোমবারই আমরা বাবার মৃত্যুর খবর পেয়েছিলাম। কিন্তু হাসপাতালকে নিশ্চিত করলে ফোন করলে বারংবার আমাদেরকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে, মিথ্যাচার করা হয়েছে।
ওরা বলেছিলেন, রোগী সিসিইউতে আছে। এখন জানছি রোগী গত এক মাস চার দিন ধরে যে বেডে ছিল, সেই থার্ড ফ্লোরে ৩০৪ নম্বর জেনারেল বেডে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। গোটা বিষয়টা নিয়ে তদন্ত হলে আসল সত্য বেরিয়ে আসবে।’ যদিও এই নিয়ে কোনও কথা বলতে চাননি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ।

Related Articles

Back to top button
Close