fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পানীয় জল ও বিদ্যুতের দাবিতে দফায় দফায় বিক্ষোভ ও অবরোধ অব্যাহত

মিলন পণ্ডা (পূর্ব মেদিনীপুর): পানীয় জল ও বিদ্যুতের দাবিতে জেলাজুড়ে দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ ও অবরোধ। মঙ্গলবার সকালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় খেজুরির রাজ্য সড়ক ও তমলুকে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় বাসিন্দারা। বিক্ষোভের জেরে বেশ সমস্যায় পড়ে নিত্যযাত্রী থেকে অফিস যাত্রীরা। দাঁড়িয়ে থাকে একাধিক পণ্যবাহী ট্রাক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে, আম্ফান নামক ঘূর্ণিঝড় ছয়দিন কেটে যাওয়ার পর এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানীর জল এখনও ঠিক মিলছে না। এদিন সকালে হলদিয়া মেচেদা ৪১ নং জাতীয় সড়ক পানীয় জল ও বিদ্যুতের দাবিতে অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ঝড়ের ফলে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। ভেঙে পড়ে লক্ষাধিক কাঁচাবাড়ি ও বিদ্যুতের খুঁটি।

কিছু কিছু এলাকায় জেনারেটর ভাড়া করে জল তুললেও সেই পরিষেবা সবসময় পাওয়া যাচ্ছে না বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। এদিন সকাল থেকে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান তমলুক থানার গৌরাঙ্গপুর, কাকগেছিয়া, নোকিবসান গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দারা।

অবরোধের জেরে জাতীয় সড়কের উপর দাঁড়িয়ে থাকে শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আছে তমলুক থানা বিশাল পুলিশবাহিনী। উত্তেজিত বাসিন্দাকে বুঝিয়ে অবরোধ তুলে দেয় পুলিশ। এরপর যান চলাচল স্বাভাবিক করে। এক বিক্ষোভকারী বলেন যে, ঝড়ের পর থেকে অনেকগুলি দিন কেটে গেছে। এখনও পর্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে পারেনি প্রশাসন।বিদ্যুৎ না থাকায় আমরা জল পাচ্ছি না। তাই খুব কষ্টে মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।

অপরদিকে হেঁড়িয়া বোগা রাজ্য সড়কের বিদ্যুতের দফতর অফিস সংলগ্ন এলাকায় অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় বাসিন্দারা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ পানীয় জল ও বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে হবে। আম্ফানের ফলে এলাকায় ১১ হাজার লাইন ছিঁড়ে পড়ছে। পাশাপাশি একাধিক বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে। বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা এলাকায় মেরামতি কাজে যান।

কিন্তু সেখানে গিয়ে কোনও কাজ না করে তারা ফিরে আছে।পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা একজোট হয়ে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় এবং হেঁড়িয়া বোগা রাস্তা অবরোধ করে। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে খেজুরি থানার পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। যদিও এই বিষয়ে বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিক এর কোনও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

Related Articles

Back to top button
Close