fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ী নির্মাণে ছাড়পত্র স্থানীয় পঞ্চায়েতের, আপত্তি পৃথক পঞ্চায়েতের

জয়দেব লাহা, দুর্গাপুর: প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনার বাড়ী নির্মানে স্থানীয় পঞ্চায়েত ছাড়পত্র দিলেও, আপত্তি অন্য পঞ্চায়েতের। ছাড়পত্র নিয়ে দুই পঞ্চায়েতের ভিন্ন ভুমিকায় বিস্তর বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কাটমানি আদায়ের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিজেপি। নজিরবিহীন ঘটনাটি ঘটেছে কাঁকসা ব্লকের ত্রিলোকচন্দ্রপুরের প্রয়াগপুর এলাকায়। জানা গেছে, সূর্যকিরন বাগ ত্রিলোকচন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের বাসিন্দা। সম্প্রতি পঞ্চায়েতের প্রয়াগপুর মৌজায় ৯৭৩ দাগ নং এর ওপর প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় গৃহ নির্মাণের আর্থিক সাহায্য পায়। সেই মতো স্থানীয় ত্রিলোকচন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ী নির্মাণের কাজও শুরু করে সূর্য্যকিরন বাগ। এরমধ্যেই পার্শ্ববর্তী কাঁকসা পঞ্চায়েত প্রধান আপত্তি জানিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধের নোটিশ দেয়। নোটিশে উল্লেখ্য রয়েছে পঞ্চায়েতের অনুমতি না নেওয়ায় নির্মাণ কাজ বন্ধ করার জন্য। নোটিশ পেয়ে বিভ্রন্তিতে পড়ে সূর্য্যকিরন বাগ।

[আরও পড়ুন- করোনা আবহে ফুলহার নদী জলে বন্যার ভ্রুকুটি]

অন্যদিকে ওই নোটিশকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ত্রিলোকচন্দ্রপুর পঞ্চায়েত প্রধান সাইনা বেগম জানান,” প্রয়াগপুর মৌজা ত্রিলোকচন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের এলাকা। এই পঞ্চায়েত থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ীর মঞ্জুর হয়েছে। নির্মাণের জন্য ছাড়পত্র দিয়েছি।” আবার কাঁকসা পঞ্চায়েত প্রধান শুক্লা সিং জানান,” জায়গাটি কাঁকসা পঞ্চায়েতের ১২ নং সাংসদ এলাকায়। তাই অনুমতি ছাড়াই হঠাৎ করে বাড়ী নির্মাণ করায় নোটিশ করেছি।”

দুই পঞ্চায়েতের এহেন ভুমিকায় বিতর্ক দানা বেঁধেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ী নির্মানে অন্য পঞ্চায়েতের আপত্তি নোটিশকে রাজনৈতিক ইস্যু করে প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিজেপি। ইতিমধ্যে স্থানীয় বিডিওর কাছে অভিযোগও জানিয়েছে বিজেপি। পুর্ব বর্ধমান জেলার বিজেপির সহ সভাপতি রমন শর্মা জানান,” প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ী নির্মানে অনুমতি নিতে হয় বলে জানা নেই। তবে এক পঞ্চায়েতে এলাকায় বাড়ী নির্মানে অন্য পঞ্চায়েত প্রধানের নাক গলিয়ে আপত্তি জানানোয় রহস্য আছে। অনুমান কাটমানি আদায় করার সুকৌশল ষড়যন্ত্র।” তবে বিজেপির অভিযোগ অস্বিকার করে কাঁকসা পঞ্চায়েত প্রধান শুক্লা সিং জানান,” মিথ্যা অভিযোগ করছে বিজেপি।” কাঁকসা বিডিও সুদীপ্ত ভট্টাচার্য জানান,” উপভোক্তা এখনও কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।”

 

Related Articles

Back to top button
Close