fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ভার্চুয়াল মিটিংয়ের সময় দুর্গাপুরে নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ’র কুশপুতল দাহ করল সিপিএম, পাল্টা প্রতিবাদে সরব বিজেপি

জয়দেব লাহা, দুর্গাপুর: করোনা মহামারী
সঙ্কটের মুহূর্তে দেখা মেলেনি বিজেপি সাংসদদের।
আর তার প্রতিবাদে ভার্চুয়াল মিটিংয়ে জবাব চাইতে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ’র কৃশপুত্তলিকা দাহ করল সিপিএম। ঘটনার পাল্টা প্রতিবাদে সরব হল শিল্পাঞ্চল বিজেপি। মঙ্গলবার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরগরম শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুরের রাজনীতি।

 

 

উল্লেখ্য, দেশজুড়ে করোনা আবহে চলছে লকডাউন। ২০২১ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ময়দানে নেমেছে গেরুয়া শিবির। মঙ্গলবার সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখত ভার্চুয়াল মিটিং ছিল বিজেপির। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন মিটিংয়ের আগাগোড়ায় যখন রাজ্যের তৃণমূল সরকার ও কংগ্রেসকে কড়া আক্রমন করছেন অমিত শাহ। অন্যদিকে তখন লকডাউনে সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে জেলার দুই বিজেপি সাংসদদের খুজে না পাওয়ার অভিযোগে কুশপুতুল দাহ করল দুর্গাপুরের সিপিএম নেতৃত্ব। এদিন শহরের মুচিপাড়া, গ্যামনব্রীজ সহ প্রায় ৩০ টি এলাকায় বিক্ষোভ ও কুশপুতুল দাহ করে সিপিএম।

 

 

সিপিএম নেতা পঙ্কজ রায় সরকারের বলেন, ‘লকডাউনে সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে কোটি টাকা খরচ করে ভার্চুয়াল মিটিং করে জনসম্পর্ক করছেন অমিত শাহ্। তখন জেলায় জনসম্পর্কের জন্য যে দুজনকে নির্বাচিত কটেছিল জনগন, তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। দ্বীতিয়ত, অপরিকল্পত লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্গতি সীমাহীন। তাদের বাড়ী ফিরিয়ে লকডাউন করলে এই পরিস্থিতি তৈরী হত না। তার জবাব ভার্চুয়াল মিটিংয়ে দিতে হবে। তৃতীয়ত, আয়কর দেয় না এমন পরিবারদের মাসিক সাড়ে ৭ হাজার টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দিতে হবে। তাই তার প্রতিবাদে অমিত শাহ ও নরেন্দ্র মোদীর কুশপুতুল দাহ করা হয়েছে।”

 

 

এদিকে লকডাউনে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুশপুতুল দাহর প্রতিবাদে পাল্টা সরব হয়েছে বিজেপি। সংগঠনের পুর্ব বর্ধমান জেলা সহ সভাপতি রমন শর্মা প্রশ্ন তুলে বলেন,” রাজ্যের শাসকদলের সঙ্গে আঁতাত না থাকলে লকডাউনে সিপিএম এধরনের কুশপুতল দাহ কিভাবে করে? দেশের শীর্ষ দুই মন্ত্রীর কুশপুতল দাহ হল, অথচ রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন নিরব দর্শক। তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রতিবাদে আন্দোলনে নামব।” তিনি আরও বলেন, ‘জেলায় সাংসদদের দেখা না গেলেও তাদের কাজ মানুষ দেখতে পাচ্ছে। হাজারের বেশী শ্রমিক, অন্য রাজ্যে আটকে থাকা মানুষ তাদের উদ্যোগে বাড়ী ফিরেছে। গরীব দুঃস্থ পরিবারের তাদের পাঠানো ত্রান পৌঁছে যাচ্ছে। কোটি টাকার ওপর দুই জেলায় করোনা মোকাবিলায় সংসদ তহবিল থেকে দিয়েছে। তবে তৃণমূল-সিপিএম যতই আঁতাত করুক রাজ্যের মানুষ বিজেপিকে চাইছে। ২০২১ নির্বাচনে বিজেপিই ক্ষমতায় আসবে।”

Related Articles

Back to top button
Close