fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

বাঙালির সাজে ষষ্ঠীর সকালে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল মাতৃবন্দনা, উজ্জীবিত বঙ্গ বিজেপি

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: একুশের যুদ্ধে জিততে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবকেই টার্গেট করলো গেরুয়া শিবির। বিশেষ করে বাংলা জিততে ‘ষোলো-আনা বাঙালিয়ানাকেই’ ভরসা করছে রাজ্য বিজেপি।  গেরুয়া শিবিরের খবর, মহাষষ্ঠীর সকালে দিল্লিতে নিজের বাসভবন থেকে বাংলার মানুষকে শারদ শুভেচ্ছা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী। একেবারে বাঙালি বেশে ধুতি-পাঞ্জাবি পরে সেদিন নিজের বাসভবনে প্রথমে মাতৃবন্দনা করবেন নরেন্দ্র মোদি। তারপর সেখান থেকে দেবেন ভার্চুয়াল ভাষণ।
আরও খবর, শুধু পূর্বাঞ্চল সংস্কৃতি কেন্দ্রের (ইজেডসিসি) চৌহদ্দির মণ্ডপই নয়, শহরের অন্তত ৫ টি পুজো মণ্ডপে ‘ টু ওয়ে’ প্রযুক্তিতে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাষণ দেখা যাবে। দলের এক সর্বভারতীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই তথ্য জানিয়েছেন। টু ওয়ে প্রযুক্তিটা ঠিক কি? তিনি বিশদে বোঝালেন ওই পাঁচটি মণ্ডপে থাকবে ক্যামেরাসহ অন্যান্য প্রযুক্তি। প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল ভাষণ যেমন ইজেডসিসি সহ পাঁচটি মণ্ডপে দেখা যাবে, তেমন প্রধানমন্ত্রীও ইজেডসিসি সহ ওই পাঁচটি পুজো মণ্ডপ দেখতে পাবেন। আরও জানা গেল শুধু এই শহরই নয়, রাজ্যের নানা প্রান্ত বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ থেকে প্রধানমন্ত্রীর বোধন অনুষ্ঠানে যোগদানের অনুরোধ আসছে।
প্রযুক্তির ব্যবহারে সব সময় বিপক্ষের চেয়ে এক কদম এগিয়ে গেরুয়া শিবির। টু ওয়ে প্রযুক্তি প্রয়োগ সেক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেই আশা করছে গেরুয়া শিবির। সঙ্গত কারণেই শহরের পাঁচটি পুজো মণ্ডপের পরিচয় দিতে চাইলেন না বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা। পুজোর চারদিন বিরাট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ষষ্ঠীর দিন প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল ভাষণের পাশাপাশি ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ের নৃত্য মঞ্চস্থ হবে। গান গাওয়ার কথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র। এছাড়াও সংস্কৃত স্তোত্রে মাতৃবন্দনা। ঢাকের কাঠিতে পুজোর বোল তুলবেন ১০ জন মহিলা ও ১০ জন পুরুষ ঢাকির দল।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দায়িত্বে রয়েছেন বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা সুমন বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের রাজ্য সম্পাদিকা সঙ্ঘমিত্রা চৌধুরি। সঙ্ঘমিত্রা জানালেন, ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ের নৃত্য ছাড়াও আইপিএলে গান গেয়েছেন যে দুই শিল্পী সৌমেন্দ্র ও সৌম্যদীপ, তাঁরা আগমনী গান গাইবেন। নবমী পর্যন্ত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। থাকছে পুরুলিয়ার ছৌনাচ, বাউল গান, দোহারের গান ছাড়া আরও নানারকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যার মাধ্যমে বাংলার সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হবে।
অর্থাৎ ঘুরেফিরে সেই বাঙালিয়ানা। একুশে বাংলা জিততে বাঙালির প্রাণের উৎসবে তাই শরিক হয়েছে গেরুয়া শিবির। আয়োজনে যাতে কোন ত্রুটি না থাকে, তাই বারে বারে ইজেডসিসি চত্বর পরিদর্শন করছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়, সব্যসাচী দত্ত, সৌমিত্র খাঁ, লকেট চট্টোপাধ্যায়রা।

Related Articles

Back to top button
Close