fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

উত্তেজনার মধ্যেই লাদাখ সফরে প্রধানমন্ত্রী

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তেজনার মধ্যেই লাদাখ সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।ইন্দো-চিন সীমান্ত সম্পর্কের ইতিহাসে ৪৫ বছর পরে এমন রক্তক্ষয় হয়েছে সীমান্তে। একাধিক উচ্চপদস্থ বৈঠকেও মিলছে না কোনও সুরাহা। চিনের সঙ্গে কোনভাবেই সমঝোতায় পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছে না। শুক্রবার হঠাত করেই লে পৌঁছেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁকে সঙ্গ দিতে রয়েছেন চিফ অফ ডিফেন্স বিপিন রাওয়াত। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যবাহী বলে মনে করা হচ্ছে।

গত ১৫ জুন রাতে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনা সেনার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক কর্নেল-সহ শহিদ হন ২০ জন ভারতীয় সেনা জওয়ান। লালফৌজেরও এক কম্যান্ডিং অফিসার-সহ বেশ কয়েকজন সেনা নিহত হয়। তারপর এই প্রথম লাদাখে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী। সেনা হাসপাতালেও যাবেন প্রধানমন্ত্রী । গালওয়ান ভ্যালিতে ভারত-চিন সংঘর্ষে জখম হওয়া জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলবেন। এই মুহূর্তে তিনি রয়েছেন ১১,০০০ ফুট উঁচুতে, সিন্ধু নদের ধারে লাদাখের নিমুতে। সেনা, বায়ু সেনা ও আইটিবিপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন।

আরও পড়ুন: বিশ্বের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদ

প্রসঙ্গত, এদিন একদিনের সফরে লাদাখ যাবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধানও। লাদাখে গিয়ে চিন সীমান্তে মোতায়েন সেনা জওয়ান এবং অফিসারদের সঙ্গে কথা বলবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী৷ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চিনের সঙ্গে সংঘর্ষের আবহে পরিস্থিতি ও ফৌজের প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখবেন রাজনাথ। তার আগে এদিন লেহতে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী ও সিডিএস। সেনাপ্রধান নারাভানে অবশ্য এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার লাদাখ যাচ্ছেন৷ প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে প্রধানমন্ত্রীর লাদাখ সফরের উদ্দেশ্য চিনকে প্রচ্ছন্ন হুমকি দেওয়া। দেশের সীমানা নিয়ে নয়াদিল্লি যে আপস করবে না তা বেজিংয়ে স্পষ্ট বুঝিয়ে দিতে চাইছে কেন্দ্র। এভাবেই অরুণাচল প্রদেশেও লাগাতার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সফর পরোক্ষে চিনকে বার্তা দিতেই আয়োজিত হয়।

Related Articles

Back to top button
Close