fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মালদায় তৃণমূলের বুথ সভাপতির কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

মিল্টন পাল, মালদা: সামান্য গ্রাম্য বিবাদের জেরে শাসক দলের বুথ সভাপতির কাছ থেকে টাকা চাওয়ার অভিযোগ চাঁচল থানার এক পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার চাঁচল থানা এলাকায়। ঘটনায় অভিযোগ জানিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে শাসকদলের নেতা।

পুলিশ অফিসারের টাকা চাওয়ার ঘটনা সামনে আসতেই জেলাজুড়েই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ঘটনা খতিয়ে দেখার আস্বাস দিয়েছে চাঁচল এসডিপিও।

জানা গিয়েছে, ওই পুলিশ কর্মীর নাম অনিমেষ কর্মকার। বর্তমানে চাঁচল থানায় কর্মরত রয়েছে। তৃণমূলের ওই এলাকার বুথ সভাপতি মিরাজুল ইসলাম বলেন, গত একমাস আগে চাঁচলের আশিনপুরে সাপের মৃত্যুর ঘটনায় দূর্গন্ধ ছড়ায়। এই  নিয়ে কয়েকজন গ্রামবাসীর বচসা হয়। পরে দুপক্ষের সংঘর্ষ বেধে যায়। দুই পক্ষ পুলিশে অভিযোগ জানানোর পর পুলিশ মামলাও করে। এরপর তৃণমূলের অভিযোগ, ঘটনার তদন্তকারী অফিসার অনিমেশ কর্মকারকে ফোন করে অভিযুক্তদের কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না তা জানতে চাই স্থানীয় তৃণমূলের বুথ সভাপতি।

মেরাজুল আরও বলেন, আমরা একটি অভিযোগ জানিয়েছিলাম। আই ও অনিমেশবাবুকে ফোন করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা নিয়ে জানতে চাই। তখন জানতে পারি, আমাদের আট তৃণমূল কর্মীর নামেও পাল্টা মামলা রয়েছে। উনি পরিষ্কার বলেন, টাকা না দিলে কাজ হবে না। বিপক্ষের কাউকে গ্রেফতারও করা হবে না। বরং টাকা না দিলে তৃণমূলের আটজনকেই গ্রেফতার করা হবে। এরপর বাধ্য হয়ে থানায় গিয়ে অনিমেশবাবুর হাতে ৮০ হাজার টাকা দিই। তার সাক্ষীও রয়েছে। কিন্তু তারপরেও তিনি কাউকে গ্রেফতার করেননি।ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা।

চাঁচলের এসডিপিও সজলকান্তি বিশ্বাস বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি দোষ বা অভিযোগ প্রমাণিত হয় তার বিরুদ্ধে আই্নি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গোটা ঘটনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চাঁচলের তৃণমূল নেতা তথা জেলা পরিষদ সদস্য সামিউল ইসলাম বলেন, ঝুঁকি নিয়ে পুলিশকর্মীরা করোনার মধ্যে কাজ করছে। কিন্তু ওই অফিসার আখেরে রাজ্য সরকারের বদনাম করছেন। আমরা চাই, তদন্ত করে পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা নিক।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close