fbpx
অফবিটপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা-আম্ফান সামলে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন সাংবাদিক-পুলিশ

ভীষ্মদেব দাশ, পূর্ব মেদিনীপুর: আচমকা বিয়ে! তখন রাত গড়িয়েছে। বিয়ের জন্য মালা আর সিঁদুরটা তো চাই। সিঁদুর পেলেও মালা? মালাবদল ছাড়া বিয়ে কিভাবে হবে? লকডাউনের রাত তারওপর আমপানের আতঙ্ক। বর কিভাবে বিয়ের বেদিতে পৌঁছাবে? বর স্কুটিতেই পৌঁছালেন বিয়ের আসরে। কিন্তু মালা তো পাওয়া যায়নি। ফুলের দোকানে অনেক ফোনের পর উত্তর এলো পদ্মফুলের মালা পাওয়া যাবে। তাই দিয়েই মালাবদল সারলেন দিঘার যজ্ঞেশ্বর জানা ও কাঁথির মৌমিতা রায়।

 

 

করোনা-আমফানের মধ্যেই সাতপাকে বাঁধা পড়লেন সাংবাদিক ও পুলিশ। যজ্ঞেশ্বর পেশায় সাংবাদিক ও মৌমিতা পুলিশ। তিনবছর ধরে আলাপ তাদের। বৈশাখেই বিয়ে হবে ঠিক হয়েছিল। কিন্তু বিয়েতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় করোনা। তাই দুই পরিবারের তরফেই বিয়ে স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আপাতত বিয়ে নয় বলেই জানতেন যজ্ঞেশ্বর। তবে বিয়ের ফুল ফুটলে কে আটকাতে পারে? আচমকাই সোমবার সন্ধ্যেবেলা ঠিক হল বিয়ে হবে। কনের বাড়ির সদস্যদের শারীরিক অবস্থা ভাল না হওয়ায় রাতেই শুরু হল তোড়জোড়। ঠিক হল মন্দিরে বিয়ে হবে।

 

 

বরের বাড়ি দীঘা ও কনের বাড়ি কাঁথিতে। দুই বাড়ির মাঝামাঝি মন্দিরেই বিয়ের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক ও পুলিশ কেউই সামাজিক দায়িত্ব পালন করার থেকে নড়চড় হননি। ভিড় এড়াতে দুই বাড়ি থেকে ৮ জন করে মোট ১৬ জন উপস্থিত ছিলেন বিয়েতে। পদ্মফুলের মালা দিয়ে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন যজ্ঞেশ্বর ও মৌমিতা।

Related Articles

Back to top button
Close