fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

চন্দ্রকোনা টাউনে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় দুই জনের মৃত্যুর তদন্ত শুরু করল পুলিশ

সুদর্শন বেরা, পশ্চিম মেদিনীপুর: চন্দ্রকোনা টাউনে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় দুই জনের মৃত্যুর তদন্ত শুরু করল পুলিশ। সোমবার রাত নটা নাগাদ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা টাউন থানার অন্তর্গত চন্দ্রকোনা পলাশচাপড়ি
রাজ্য সড়কের মাঝে আধকাটা গ্রামে পথ দুর্ঘটনাটি ঘটে। একটি ট্রাকের ধাক্কায় মোটরবাইকে থাকা দুইজন ঘটনাস্থলেই দীর্ঘক্ষণ পড়ে থাকে। তবে পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চেষ্টায় তাদের উদ্ধার করে সোমবার রাত দশটা নাগাদ চন্দ্রকোনা টাউনের গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে এলে ডাক্তারবাবুরা ওই দুইজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুমড়ানো মুচড়ানো একটি মোটরবাইক উদ্ধার করেছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান বড় ট্রাকের ধাক্কায় সম্ভবত দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। মৃত দুইজন হলেন দীনেশ মিস্ত্রি, তার বয়স ৩০ বছর, তার বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের বনকাটা এলাকায়। মৃত অপরজন হলেন দীনেশের আত্মীয় সুমন দাস, তার বয়স ৩৫ বছর, তার বাড়ি কলকাতায়।

গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের বনকাটা গ্রাম থেকে কিছুটা দূরে চন্দ্রকোনা টাউন থানার আধকাটা গ্রামে কলকাতার বাসিন্দা সুমন দাস কালীপুজো উপলক্ষে শ্বশুর বাড়িতে এসেছিল। তাই সোমবার সন্ধ্যায় আত্মীয় দীনেশ মিস্ত্রিকে নিয়ে চন্দ্রকোনা টাউনের দিকে বেড়াতে গিয়েছিল। চন্দ্রকোনা টাউন থেকে সুমন দাস তার শশুরবাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান। চন্দ্রকোনা টাউন থানার পুলিশ মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে মঙ্গলবার ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

ময়নাতদন্তের পর ওই দুটি মৃতদেহ তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে চন্দ্রকোনা টাউন থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়। একই পরিবারের দুই জনের মৃত্যুর ঘটনায় গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের বনকাটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। চন্দ্রকোনা টাউন থানার পুলিশ ঘাতক ট্রাকটির খোঁজে সন্ধান শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ওই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ওই দুর্ঘটনার পর যদি সঙ্গে সঙ্গে ওই দুই জনকে উদ্ধার করা যেত তাহলে তাদের বাঁচানো সম্ভব হতো বলে অনুমান। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ দুইজন রাস্তার ধারে পড়ে থাকায় তাদের আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। রীতিমতো ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চন্দ্রকোনা টাউন থানার আধকাটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

Related Articles

Back to top button
Close