fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ত্রাণ নিয়ে যাওয়ার পথে বিজেপি নেত্রী লকেট চ্যাটার্জীর গাড়ি আটকাল পুলিশ, পথে বসে পড়লেন সাংসদ

বাবলু প্রামাণিক, বারুইপুর: বারুইপুরে জেলা বিজেপির কার্যালয় ঘুরে ক্যানিং তালদি আমফান ঝড়ে দুর্গতদের কাছে যাবার পথে বারুইপুর উত্তরভাগ পদ্মা স্টপেজে লকেট চ্যাটার্জির গাড়ি আটকে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশের তরফে জানানো হয়, লকডাউন অমান্য করে কোনওমতেই গাড়ি নিয়ে যাওয়ার অনুমতি নেই। তাই গাড়িকে ছাড়া যাবে না।

 

 

এরপর ঘটনাস্থলে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তারপর রাস্তায় বসে পড়েন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। খবর যায় কর্মীদের কাছে। গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে এই খবর আসতেই উত্তেজিত হয়ে বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা আসতে শুরু করে দেয় । উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে বারুইপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিত বসু, জেলা পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের ওসি লক্ষ্মীকান্ত বিশ্বাসের নেতৃত্বে ও বারুইপুর এসডিপিও বারুইপুর থানার উদ্যোগে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে মোতায়ন করা হয়।

 

 

তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন লকেট। তাঁর অভিযোগ, ‘তৃণমূল হলে সব জায়গায় যেতে পারবে বিজেপির হলে কোথাও যেতে পারবে না । এবং তৃণমূলের কর্মীরা বেছে বেছে তাদের কর্মীকে ত্রাণ দিচ্ছে এবং বিজেপি কর্মীদেরকে তারা চেনে না।’ এর মধ্যেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ বসু সংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে বোঝাতে থাকেন গাড়ি ঘুরিয়ে নিয়ে যাবার জন্য। যদিও তাতে কাজ হয়নি। তিনি গাড়ি থেকে নেমে রোদের মধ্যে রাস্তায় দলীয় কর্মীদের নিয়ে বসে পড়েন । বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। পুলিশের সঙ্গে তাঁদের তর্কাতর্কি বেঁধে যায়।

 

এদিকে পাল্টা ক্যানিং এর দিক থেকে একঝাঁক বিজেপির কর্মীরা জড়ো হন। বিজেপি কর্মীরা জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। মাঝে পুলিশ উত্তেজনাময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে। লকেট বলেন, ‘বারুইপুরে দলীয় কার্যালয় ঘুরে ক্যানিং তালদিতে যাওয়ার কথা ছিল দুর্গত মানুষদের ত্রাণ দিতে। কিন্তু আমি লকডাউন অমান্য করছি এই অভিযোগে পুলিশ আমার গাড়ি আটকে দেয়। এবং আমি এই জেলার মেয়ে আমাকে যেতে বাধা দিচ্ছে। আমার গাড়িতে কোনো দলীয় ব্যানার বা পতাকা নেই। কোন শ্লোগানও দিচ্ছি না। পুলিশকে সময় চেয়েছিলাম আধা ঘন্টা কিন্তু সময় দিল না। আমাকে রুখতে পারবে না আবারো আসবো আমি।’

Related Articles

Back to top button
Close