fbpx
পশ্চিমবঙ্গ

স্বপ্ন প্রশাসক হওয়ার, দারিদ্র্য ও মাধ্যমিকের লড়াইয়ে ‘স্টার যোদ্ধা’ দিবাকর

সুভাষ দাস,ক্যানিং: মেধাতালিকায় স্থান না পেলেও চমক দিয়েছে ক্যানিং ডেভিড সেশুন উচ্চমাধ্যমিক হাইস্কুলের এক ফুচকা বিক্রেতার সন্তান দিবাকর মিস্ত্রী। দিবাকরের প্রাপ্ত নম্বর ৬৩৬।

ক্যানিংয়ে মাতলা ২ গ্রামপঞ্চায়েতের রাজারলাট পশ্চিম পাড়ার ছোট্ট এক ঘরে বসবাস।বাবা বিমলকৃষ্ণ ও মা বুল মিস্ত্রী পেশায় ফুচকা বিক্রেতা।স্বামী,স্ত্রী দুজনেই ফুচকা বিক্রি করে একমাত্র সন্তানের পড়াশোনা চালিয়েছেন।মেধাবী দিবাকরের ইচ্ছা প্রশাসক হওয়ার। দিবাকরের কথায় “সারাক্ষণ বই নিয়ে পড়ে থাকতাম। সারাদিনে প্রায় ১৬ ঘন্টা পড়াশোনা করতাম। বাবা মা এবং স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা খুবই সাহায্য করেছেন।

আগামী দিনে প্রশাসক হয়ে দরিদ্র মানুষের সেবা করতে চাই”।
ছেলের প্রশাসক হওয়ার খরচ সামলাতে পারবেন কিনা জানেন না বিমলকৃষ্ণ। বিমলকৃষ্ণ ও তাঁর স্ত্রী বুলু’র কথায় “ছেলের ইচ্ছাপূরণ করতে সব বাবা-মা চায়। কিন্তু সামান্য ফুচকা বিক্রি করে কোনরকমে সংসার চলে। জানি না এরপরে কি হবে। কেউ যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন ভালো হয়।”

ডেভিড সেশুন উচ্চমাধ্যমিক হাইস্কুলের বাংলা বিভাগের শিক্ষক যাদব চন্দ্র বৈদ্য বলেন “ছেলেটির আগ্রহ ও একাগ্রতাটাই ওর ভালো ফলাফলের মূল কারণ। কোন প্রয়োজন হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতো। পুরাতন দিনের গান শুনতে এবং ক্রিকেট খেলতে ওর খুব আগ্রহ।আশা করি আগামী দিনে দিবাকর আরো উচ্চশিখরে উঠে ভালো কিছু করবে এবং স্কুলের সুনাম হবে।আমরা ওর পাশে আছি এবং আগামী দিনেও থাকবো। ”

Related Articles

Back to top button
Close