fbpx
অন্যান্যপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আমফান পরবর্তী সুন্দরবনের মৃৎশিল্পীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ

শ্যাম বিশ্বাস, উওর ২৪ পরগনা: ঘূর্ণিঝড় আমফানের জেরে তছনছ হয়ে গিয়েছিল বাংলার একাংশ। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য জায়গা হল সুন্দরবন। প্রতিমা তৈরি করতে এঁটেল মাটির সমস্যা অন্যদিকে রং তুলির ওপরে ১৮% জিএসটি। এর  প্রভাব পড়ছে প্রতিমা শিল্পীদের।

ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডবে কার্যত লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা যেমন হাড়োয়া, মিনাখা, সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ, স্বরূপনগর সীমান্ত সহ বিভিন্ন জায়গা। হাড়োয়ার শালিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খলিসাদী গ্রামেও রয়েছেন বেশকিছু মৃৎশিল্পী। এখন প্রতিমা হয়ে যাচ্ছে ছোট, দাম পড়েছে দ্বিগুণ। তাদের তৈরি প্রতিমা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন পুজো মন্ডপে তাদের প্রতিমা যেমন শোভা পায়, ঠিক তেমনই ভিন রাজ্য তথা মহারাষ্ট্র ,গুজরাট, তেলেঙ্গানা তামিলনাড়ু, ওড়িশা, ঝাড়খন্ড, বিহার ভারতবর্ষের বিস্তীর্ণ এলাকায় তাদের তৈরি প্রতিমা শোভা পায়।

         আরও পড়ুন: করোনার আবহের মধ্যেই ফের মুম্বইতে ভূমিকম্প, উদ্বিগ্ন কেন্দ্র সরকার

এছাড়া বিদেশেও পাড়ি দিয়েছে তাদের তৈরি প্রতিমা। তাছাড়া পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুজো কার্নিভালেও শোভা পেয়েছে তাদের তৈরি প্রতিমা, খ্যাতি অর্জন করেছে রীতিমতো। কিন্তু এখন তাদের সংসার চালাতে কালঘাম ছুটছে, রীতিমতো ব্যাঙ্ক অথবা মহাজনদের থেকে মোটা অঙ্কের ঋণ নিয়ে এই মৃৎশিল্পীরা ব্যবসা করে থাকেন।

     আরও পড়ুন: “সীমান্তে স্থিতাবস্থা ফেরাতে দু’দেশকেই উদ্যোগ নিতে হবে’, চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বৈঠক রাজনাথ

আমফান তাণ্ডবের পর এঁটেল মাটির  আকাল দেখা দিয়েছে এছাড়াও রয়েছে রং তুলি সাজ-পোশাকের ওপরে ১৮% জিএসটি। তাছাড়া রয়েছে কাঠামো তৈরি করার জন্য  পাটের দড়ি সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম এর মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে। সবমিলিয়ে মৃৎশিল্পীদের সংসার চালাতে ঘাম ঝড়ছে, ঋণ পরিশোধ করা তো দূরের কথা। সরকারের কাছে সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন সুন্দরবনের মৃৎশিল্পীরা। করোনা আবহাওয়া কাটিয়ে কবে জনজীবন স্বাভাবিক হবে তা নিয়েও রয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা। পাশাপাশি সরকার দুর্গোৎসব সহ বিভিন্ন পুজোতে ছাড়পত্র দেবে কিনা সেটাও অজানা সকলের। সব মিলিয়ে সুন্দরবনের মৃৎশিল্পীরা অসহায়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

Related Articles

Back to top button
Close