fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

হাথরাসে রিপোর্টারের জেদে বেকায়দায় যোগীর পুলিশ, ভাইরাল সদ্য করোনা কাটিয়ে ওঠা প্রতিমা মিশ্রা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: “মুঝে মেরে কাম করনে দিজিয়ে”…..তনুশ্রী পাণ্ডের পর প্রতিমা মিশ্র, আরও এক সাহসী সাংবাদিকের নাছোড়বান্দা ভূমিকায় ফের বেকায়দায় উত্তর প্রদেশ পুলিশ। শুক্রবার একটি সর্বভারতীয় চ্যানেলের সাংবাদিক প্রতিমা মিশ্র হাথরসের ধর্ষিতার বাড়ি যাওয়ার চেষ্টাকে যোগীর পুলিশ যেভাবে প্রতিহত করল,সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হল দিনভর। অসমসাহসী প্রতিমাকে আটকাতে মাথাগরম করে উত্তর প্রদেশ পুলিশের এক আধিকারিক তাঁকে চোরও বলে ফেললেন। যদিও তাতে দমানো যায়নি প্রতিমাকে। উত্তর প্রদেশ পুলিশের ভূমিকা দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরতে মরিয়া হয়ে এক সময় কার্যত ধরনাও দেন তিনি। জানা গিয়েছে কিছুদিন আগেই সদ্যয করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। করোনা কাটিয়ে উঠেই তিনি অ্যাসাইনমেন্টি নেন।

পরনে সাদা কুর্তা আর জিন্স, মুখে মাস্ক আর একহাতে চ্যানেলের বুম বা মাইক। মূল রাস্তায় বাধা পেয়ে জমির আলপথ ধরে হাথরসের নির্যাতিতা দলিত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এগিয়ে চলেছেন এক সাংবাদিক। আর সামনে-পিছনে পুলিশ প্রতিনিয়ত বাধা দিচ্ছে তাঁকে। যেন তিনিই অন্যায় করছেন! তাতেও সাংবাদিককে এগোতে মরিয়া দেখে এক পুলিশ অফিসার চোর বলে মন্তব্য করে বসলেন তাঁকে! বললেন, চোরের মতো যাচ্ছেন কেন?

এরপরও বিন্দুমাত্র মাথাগরম না করে প্রতিমা পাল্টা পুলিশকে প্রশ্ন করেন, চোর কাকে বলে? আমি ধর্ষিতার বাড়ি যাচ্ছি, আমাকে চোর বলছেন কেন?

বেকায়দায় পুলিশ আধিকারিক আমতা-আমতা করতে থাকায় প্রতিমা ফের বলেন, আমরা যাচ্ছি ঘটনার ওপর থেকে পর্দা সরাতে, আর আপনারা পর্দা ঢাকছেন, আবার আমাকেই চোর বলছেন? পুলিশের সঙ্গে সাংবাদিক প্রতিমা মিশ্রর বাদানুবাদ মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয় গোটা দেশে।

মুম্বাইতে জন্ম হলেও বেড়ে ওঠা এবং শিক্ষা দিল্লিতে শেষ করেন প্রতিমা। দিল্লীর হংসরাজ কলেজ থেকে মাস কমিউনিকেশন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ২০০৯ সালে দিল্লির একটি সর্বভারতীয় চ্যানেলের ইন্টার্নশিপ হিসেবে কাজ শুরু তাঁর। অতঃপর সালে অন্য একটি সর্বভারতীয় চ্যানেলের রিপোর্টার হিসেবে কাজ শুরু করেন প্রতিমা মিশ্রা। রিপোর্টিং এর পাশাপাশি এংকারিং ও সমানভাবে দক্ষ প্রতিমা।

Related Articles

Back to top button
Close