fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

গর্ভের সন্তানের মৃত্যু, রেফারের জেরে প্রসূতির প্রাণহানি, কাঠগড়ায় দুই সরকারি হাসপাতাল 

অভীক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও অস্ত্রোপচারের আগে প্রসূতিকে কোভিড পজিটিভ দেখে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে রেফার করে দেয় আরজিকর হাসপাতাল। ততদিনে মাতৃজঠরে শিশুটির মৃত্যু হলে তাকে ইনডাকশন পদ্ধতিতে বেরও করে আনা হয়। কিন্তু তারপরে রবিবার আচমকা মৃত্যু হয় প্রসূতিরও। শিশু মৃত্যুর পরেও মায়ের যত্ন না নেওয়ার ফলে তারও মৃত্যু হয়েছে, দুই সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এমনটাই অভিযোগ করেছে পরিবার।

জানা গিয়েছে, নিহত তরুণীর নাম মৌসুমী রায়। তিনি দমদমের বাসিন্দা। মাত্র ২১ বছরের অন্তঃসত্ত্বা মৌসুমী প্রসব বেদনা নিয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর আরজিকর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু অস্ত্রোপচার করার আগে নিয়মমাফিক কোভিড টেস্ট করাতে গিয়ে দেখা যায় তিনি কোভিড পজিটিভ। ৯ সেপ্টেম্বর রোগীকে কোভিড হাসপাতাল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হয়। ততদিনে মারা গিয়েছে পেটের শিশুটি। শিশুটিকে বার করে আনা হয়। এদিকে তরুণীর শারীরিক অবস্থা দ্রুত অবনতি হতে থাকে। রবিবার সকালে মৃত্যু হয় একুশ বছরের ওই তরুণীর।

তরুণীর পরিবারের দাবি, “আরজিকর থেকে আমাদের বলা হয়েছিল মা কোভিড পজিটিভ। এই সময় বাচ্চার ডেলিভারি করা হলে সেও করোনা আক্রান্ত হতে পারে। আমরা বারবার বলেছিলাম বাচ্চা না বাঁচলেও দয়া করে মাকে বাঁচিয়ে দিন। কিন্তু ওরা চিকিৎসা না করে মেরে ফেলল। অসুস্থ অবস্থায় রেফার না করে কি আরজিকরের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা সম্ভব ছিল না?” যদিও কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই তরুণীর বয়স কম হওয়ায় একদিকে করোনা, তারপর আবার জন্ডিস এবং প্রসবের ধকল নিতে পারেনি। মৃত বাচ্চার জন্য তরুণীর মৃত্যু হয়নি। শারীরিক দুর্বলতার কারণেই এই প্রাণহানি ঘটেছে।

Related Articles

Back to top button
Close