fbpx
কলকাতাহেডলাইন

বিশ্বহিন্দু পরিষদের অকাল বোধন শারদ সম্মানে ব্যাপক সাড়া

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: বিশ্বহিন্দু পরিষদের (দক্ষিণবঙ্গ) উদ্যোগে অকাল বোধন দুর্গোৎসব সম্মানকে ঘিরে ব্যাপক সাড়া পড়েছে শহর জুড়ে। শুধু শহরের বনেদিবাড়িই নয়,বহু নামি সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি অংশগ্রহণ করেছে এই প্রতিযোগিতায়। প্রসঙ্গত বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন শ্রীরাম। শরৎকালে এই দুর্গোৎসব অকালবোধন নামেই পরিচিত। এ বছর বিশ্ব হিন্দু পরিষদ দক্ষিণবঙ্গ প্রান্তের উদ্যোগে অকালবোধন দুর্গোৎসব সম্মান দেওয়া হবে। ক্যাচ লাইন ‘ বঙ্গ জীবনের অঙ্গ রাম’।

অকালবোধন দুর্গোৎসবে প্রথম থেকে পঞ্চম পুরস্কার ( মহিলা পরিচালিত পুজো) দেওয়া হবে। এছাড়া রয়েছে শ্রেষ্ঠ প্রতিমা, শ্রেষ্ঠ পুরোহিত, শ্রেষ্ঠ নিয়মনিষ্ঠার পুজো, সেরা পরিবেশ,সেরা আলো, সেরা মণ্ডপ, সেরা পুজো সংগঠক, সেরার সেরা পুজো ব্যবস্থাপনা,,সেরা সামাজিক পুজো কর্মকাণ্ড সংগঠক, সেরা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সংগঠক ও সেরা আবাসিক পুজোর পুরস্কার ।’ উপহার হিসাবে দেওয়া হবে শ্রীরামচন্দ্র ও দুর্গা মূর্তির স্মারক, শংসাপত্র ও পুজোর উপচার। পুরোহিতদেরও সম্মাননা জানানো হবে।

প্রতিযোগিতার বিচারকদের মধ্যে রয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক রন্তিদেব সেনগুপ্ত, বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব জ্যোতির্ময়ী শিকদার, অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা, ইতিহাসবিদ অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, পরিবেশবিদ মোহিত রায়, অভিনেতা অনিন্দ্য পুলক, গায়ক পিলু ভট্টাচার্য ও ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ ও আদ্যাপীঠের দুজন সন্ন্যাসী। সামগ্রিক তত্ত্বাবধানে থাকবেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা.অর্চনা মজুমদার। আগামী ১ নভেম্বর বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হবে। ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারের দায়িত্বে ঋতম অ্যাপ ও ঋতম বাংলা ডটকম। বিশ্বহিন্দু পরিষদের পূর্ব ক্ষেত্রের সম্পাদক অমিয় সরকার বলেন, ‘ থিমের পুজোর নামে যে অন্য ধরনের একটি সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে আমরা তার বিপরীত স্রোতে গিয়ে মূল ধারায় অর্থাৎ সাবেকিয়ানায় ফেরার চেষ্টা করেছি। খুব ভালো সাড়া পেয়েছি। ইচ্ছে আছে আগামী বছর বাংলা জুড়ে এই উদ্যোগ নেবো।’

আরও  পড়ুন: ‘মগজাস্ত্রে’ ঘায়েল করোনা! উঠে দাঁড়াচ্ছেন ফেলুদা

প্রসঙ্গত পুরাণ অনুসারে রাবণ বধের জন্য শ্রীরামচন্দ্র শরৎকালে দেবীর অকাল বোধন করেন। শরৎকাল দেবলোকের রাত্রি, তাই এই সময় দেবপূজা করতে হলে বোধন করতে হয়। শ্রীরাম ১০৮ টি পদ্ম দিয়ে দেবীপুজো করতে গিয়ে দেখেন একটি পদ্ম কম। তখন তিনি নিজের চোখ দেবীকে দান করতে চাইলে দেবী তাঁকে বিরত করেন। দেবীর আশীর্বাদে এরপর শ্রীরাম রাবণবধ করেন। বিশ্বহিন্দু পরিষদ সেই পুরনো অথচ চিরকালীন ঐতিহ্যের স্মৃতি তুলে ধরতে চাইছে, সঙ্গে ফল্গুধারার মতো রাম আবেগও।

Related Articles

Back to top button
Close