fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

জামবনির চিল্কিগড় কনক দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে চলছে নবমীর প্রস্তুতি

সুদর্শন বেরা ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি ব্লকের চিল্কিগড় কনক দূর্গা মন্দির সারা রাজ্যের মানুষের কাছে শুধু নয় রাজ্যের পার্শ্ববর্তী ঝাড়খন্ড বিহার উড়িষ্যার মানুষের কাছে খুবই পরিচিত। চিলকিগড় কনক দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গণ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে।সারা বছর মন্দিরে মানুষ পুজা দিতে আসেন। কিন্তু চিলকিগড় কনক দূর্গা মন্দিরএর ইতিহাস আজও জঙ্গলমহল জুড়ে জাগ্রত দেবী হিসেবে পরিচিত। তাই বহু মানুষ মা কনক দুর্গার কাছে তাদের পরিবারের মঙ্গল কামনা করে মানত করেন। মানত হিসেবে ছাগল বলি দেওয়ার রেওয়াজ বহুদিনের এবং বহু প্রাচীন নিয়ম অনুসারে প্রথমে মহিষ বলি দেওয়া হয় তারপরে মায়ের কাছে নবমীর দিন ছাগল বলি দেওয়া হয়। কয়েক হাজার মানুষ তাদের মানত করা ছাগল বলি দেওয়ার জন্য অষ্টমীর দিন থেকে কনক দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গনের চলে আসেন।

প্রতিবছর লক্ষ মানুষের সমাগম হয় নবমীর দিন,ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশ ও মন্দির কমিটির স্বেচ্ছাসেবকদের ।যেভাবে মানুষের ঢল নামে নবমীর দিন চিলকিগড় কনক দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে তা কারো অজানা নয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জন্য এবার কিভাবে ভিড় সামাল দেওয়া হবে নবমীর দিন তা নিয়ে চিন্তিত পুলিশ প্রশাসন ও মন্দির কমিটি। নবমীর প্রস্তুতি অনেক আগে থেকেই শুরু করে দিয়েছিল মন্দির কমিটি। শনিবার সকালে দেখা গেল মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে চুন দিয়ে গোল করে দাগ দেওয়া হচ্ছে। মায়ের কাছে ছাগল বলি দিতে আসা মানুষজনের যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে পারে। তাতেও কি সামাল দেওয়া যাবে যা নিয়ে চিন্তিত রয়েছেন সকলে। তাই মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও মাস্ক ব্যবহার করে প্রতিটি মানুষকে নবমীর দিন আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে যত সংখ্যক কম মানুষ আসেন সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তা নিয়ে জঙ্গলমহলে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে শনিবার অষ্টমীর দিন থেকেই শুরু হয়েছে মানুষের আনাগোনা।

আরও পড়ুন: আজ মহাষ্টমী, প্রথা মেনেই বেলুড়ে কুমারী পুজো

একদিকে পর্যটকদের ভিড় অন্যদিকে নবমীর দিন ছাগল বলি দিতে আসা মানুষের ভিড় কিভাবে সামলাবেন তা নিয়ে দফায় দফায় পুলিশ প্রশাসন মন্দির কমিটির বৈঠক চলছে। যত কম সংখ্যক মানুষ আসেন ততোই ভালো ।কিন্তু যাদের মানত করা আছে তারা তো অবশ্যই আসবে। তাই দেখা গেল শনিবার থেকেই মানত করা ছাগল নিয়ে বলি দিতে হাজির হতে শুরু করেছেন একের পর এক মানুষ। তাই যত কম করে হলেও হাজার দশেক মানুষ তো ছাগল বলি দিতে আসবেন। তাই শনিবার মহা অষ্টমীর দিন থেকে জোরকদমে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে নবমীর প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়া হয়েছে বলে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। সেইসঙ্গে ওই এলাকায় জীবাণু নষ্ট করার জন্য গোটা মন্দির চত্বর এলাকাকে স্যানিটাইজার করা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close