fbpx
একনজরে আজকের যুগশঙ্খকলকাতাহেডলাইন

তৃণমূলের জন্যেই কমছে না পেট্রোপণ্যের দাম, তোপ রাজ্য বিজেপি সভাপতির

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: সদ্য রাজ্য বিজেপির সভাপতি হয়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। আর বুধবার ভবানীপুরে প্রচারে এসে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে তোপ দাগলেন তৃণমূলকে। এছাড়া এদিন অন্য একটি মঞ্চ থেকে রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলে রীতিমতো তুলোধোনা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। এদিন ভবানীপুরে প্রচারে বেরিয়ে তিনি বলেন,” তৃণমূলের জন্যই কমছে না পেট্রোপণ্যের দাম”।  উল্লেখ্য তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেছেন বিজেপির জন্যেই পেট্রোপণ্যের দাম এত বেড়েছে। সেই সূত্রে সৌগতকে নিশানা করে নয়া রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন,” পেট্রোপণ্য জিএসটির আওতায় আসুক তা চায় না তৃণমূল।‌ বৈঠকে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে তারা। আপনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাছ থেকে লিখিয়ে আনুন, যাতে পেট্রোপণ্য জিএসটির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত তিনি সমর্থন করেন। তাহলে পেট্রোপণ্যের দাম লিটার প্রতি সত্তর টাকায় নেমে যাবে।” তবে বাস্তব হল শুধু তৃণমূল নয়, বিজেপি শাসিত প্রায় সমস্ত রাজ্য পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনার বিরোধিতা করেছে।

এদিকে বুধবার আইসিসিআর-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবনী বিষয়ক একটি বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করতে আসেন সুকান্ত। প্রদর্শনী উদ্বোধনের পর সাংবাদিক বৈঠকে ত্রাণ দুর্নীতি, বিরোধীদের উপর হামলা-সহ একাধিক বিষয়ে তৃণমূলকে নিশানা করেন তিনি। উল্লেখ্য অস্বচ্ছতার প্রশ্নে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে তালিকা চেয়েছে আদালত। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “রাজ্যে শিক্ষা নিলাম হচ্ছে। নচিকেতা’দা এই রকম একটা গান গেয়েছিলেন। রাজ্যের বাস্তব ছবি এটাই। এসএসসি তো এখন ডুমুরের ফুল। বেকার যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছেলেখেলা হচ্ছে। চাকরি বিক্রি হচ্ছে। গ্রামে বাচ্চা বাচ্চা ছেলে বলে দেবে কোন তৃণমূল  নেতাকে টাকা দিলে চাকরি হবে। প্রাইমারি স্কুলের জন্য ১৪ লাখ, হায়ার সেকেন্ডারির জন্য ১৬ থেকে ২০ লাখ টাকা দিতে হচ্ছে।’

এদিন সকালে ঠাকুরপুকুরের বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মানস সাহা। তিনি ভোট গনণার দিন দুষ্কৃতীদের হামলায় গুরুতর আহত হন। দলীয় কর্মীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সুকান্ত বলেন, ‘বাংলায় দুষ্কৃতী হামলায় প্রার্থীর মৃত্যু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এই ঘটনা বাংলার মাথা হেঁট করে দিয়েছে। একজন প্রার্থী  গুন্ডাবাহিনীর হামলায় মারা গেলেন। বাংলার গণতন্ত্রের জন্য এটি একটি কালো দিন।’

কেন্দ্রের টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ” শাসকদলের নেতারা ত্রাণ, কয়লা, বালির কাটমানিতে চলেন। তার প্রমাণও আপনারা পেয়ে গিয়েছেন। আগামীদিনে আরও দেখবেন। বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা এ জন্য যাদের নিমন্ত্রণপত্র পাঠাচ্ছেন বা পাঠাবেন তাঁদের মাধ্যমে সবকিছু সাফ হয়ে যাবে। এজি জানিয়েছেন, ওরা সবাই ফেরার। এভাবে চলবে না। পুলিশ খুঁজলে তাঁদের পেয়ে যাবে। বহুদিন ধরে গ্রামগঞ্জে সরকারি প্রকল্পের টাকা লুঠ হচ্ছে। সাধারণ মানুষের কাছে তা  পৌঁছয় না।”

 

 

Related Articles

Back to top button
Close