fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণবাংলাদেশহেডলাইন

ডিসেম্বরে মোদি-হাসিনা বৈঠক, ৪ টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে ভারত বাংলাদেশের মধ্যে

যুগশঙ্খ প্রতিবেদন, ঢাকা: আগামী মাসে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠকে চারটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।

তিনি সোমবার বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসকে বলেন, ‘ভার্চুয়াল বৈঠকের সময় চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে। তবে সমঝোতা চুক্তি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।’

তিনি বলেন, বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রী ইন্ডিয়ান লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি)’র আওতায় সম্পন্ন হওয়া কয়েকটি প্রকল্পও উদ্বোধন করবেন।
দুই প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ভার্চুয়াল শীর্ষ বৈঠকটি ডিসেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে, ১৬ অথবা ১৭ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।

ড. মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনার আগে আসন্ন বৈঠকের এজেন্ডা চূড়ান্ত করতে বিদেশ সচিব মাসুদ বিন মোমেন নয়াদিল্লি সফর করবেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞ যে তাদের প্রধানমন্ত্রী আমাদের বিজয়ের মাসে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলবেন। কারণ আমাদের বিজয় ভারতেরও বিজয়।’

গত সেপ্টেম্বরে বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ে ৬ষ্ঠ যৌথ পরামর্শ কমিশনের (জেসিসি) বৈঠকের প্রক্কালে ড. মোমেন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে দু’দেশের প্রধানমন্ত্রীর পরবর্তী বৈঠকে কিছু দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি গত বছরের ৫ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে সর্বশেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এই বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের কথা থাকলেও কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে এ সফর বাতিল করা হয়।

বিদেশমন্ত্রী বলেন, ঢাকা নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপনে যোগ দিতে ২৬ মার্চ সশরীরে এখানে সফরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে (নরেন্দ্র মোদি) আমন্ত্রণ জানিয়েছি এবং তারা আমন্ত্রণটি নীতিগতভাবে গ্রহণ করেছে।’ বাংলাদেশ ও ভারত আগামী বছর একসঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন করবে।

এর আগে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী জানিয়েছেন যে ডিসেম্বরে হাসিনা-মোদি শীর্ষ ভার্চুয়াল বৈঠককে এখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সশরীরে সফরের বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে না।

বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিরাজ করছে। উভয় দেশের নেতারা একে ‘সোনালী অধ্যায়’ ও ‘রক সলিড’ হিসাবে অভিহিত করছেন।

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে ‘রক্তের সম্পর্ক’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, ‘আমাদের উন্নয়নই ভারতের উন্নয়ন। কিছুই এ (বাংলাদেশ-ভারত) সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে পারে না।’

Related Articles

Back to top button
Close