fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

কর্ণাটকে যাত্রীবোঝাই বাসে বিধ্বংসী আগুন, ঝলসে মৃত দুই শিশু-সহ ৫

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: জাতীয় সড়কের উপর যাত্রী বোঝাই বাসে আচমকাই আগুন ধরে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। জানা গিয়েছে, এমনভাবে এই পাঁচজনের দেহ ঝলসে গিয়েছে সে তাঁদের চেনা যাচ্ছে না। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতদের মধ্যে দু’জন শিশু এবং একজন মহিলা রয়েছেন। আহত হয়েছেন বাসের বাকি যাত্রীরাও। চিকিত্‍সার জন্য তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগুনে ঝলসে যাওয়ায় আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিত্‍সকরা।বুধবার ভোররাতে কর্নাটকে ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা।

খবর পাওয়ামাত্রই ঘটনাস্থলে যায় দমকল। হিড়িয়ুরের পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনীও ঘটনাস্থলে যায়। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাসে থাকা বাকি যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। তাঁদের জেলা হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। প্রত্যেকের অবস্থাই বেশ আশঙ্কাজনক। কিন্তু বাসে কীভাবে আগুন লাগল, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও ধারণা নেই। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে ইঞ্জিন সংক্রান্ত সমস্যার জেরে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এই ঘটনায় একটি মামলা রুজু করেছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

বিজয়পুরা থেকে বেঙ্গালুরুর দিকে যাচ্ছিল বেসরকারি বাসটি। সেই বাসে ৩২ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। চিত্রদূর্গ জেলার হিরিয়ুর তালুকের কেআর হাল্লি এলাকায় ৪ নং জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় বাসটিতে আচমকা আগুন ধরে যায়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় আর বেরতে পারেননি অনেকেই। পুড়ে মারা যান অন্তত ৫ জন। তাঁদের মধ্যে এক মহিলা ও দুই শিশুও রয়েছে। আহতদের জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন: ফেসবুক পোস্ট নিয়ে রণক্ষেত্র বেঙ্গালুরু, পুলিসের গুলিতে নিহত ৩

পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘ভোর ৩.৩০টে নাগাদ ৪ নং জাতীয় সড়কের উপরে বাসটিতে আগুন ধরে গেলে ৫ জনের মৃত্যু হয়। বাসটি বিজাপুর থেকে বেঙ্গালুরুর দিকে যাচ্ছিল।’ মৃতদের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। ওই আধিকারিকের অনুমান, রাস্তার ধারে পার্ক করা ছিল বাসটি। তখনই তাতে আগুন ধরে যায়। স্থানীয়রা দেখতে পান যে হাইওয়ের উপর দাঁড়ানো বাসের একাংশ দাউদাউ করে জ্বলছে। তাঁরাই খবর দেন পুলিশে এবং উদ্ধারকাজে ছুটে যান। বাসের কাছাকাছি গিয়ে তাঁরা বুঝতে পারেন, আগুন লেগে যাওয়া বাসের ভিতর আটকে পড়েছেন যাত্রীরা।

Related Articles

Back to top button
Close